CBI Officer 2026

অপরাধের তদন্ত করেন সিবিআই আধিকারিকেরা, কী ভাবে যুক্ত হবেন দেশের গোয়েন্দা সংস্থায়?

সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন তিনটি উপায়ে উপযুক্ত প্রার্থীদের নিয়োগ করে। বিভাগীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, এসএসসি (স্টাফ সিলেকশন কমিশন) সিজিএল পরীক্ষা, এবং ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ০৮:৫৭
সিবিআই অফিসার হওয়ার সুলুকসন্ধান।

সিবিআই অফিসার হওয়ার সুলুকসন্ধান। — প্রতীকী চিত্র।

বড় বড় অপরাধের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করার ভার অনেক সময়ই পরে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন-এর (সিবিআই) উপর। এই সংস্থায় যুক্ত হওয়ার জন্য অথবা সিবিআই আধিকারিক হিসাবে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য প্রয়োজন হয় বিশেষ যোগ্যতার। কোন যোগ্যতা প্রয়োজন, কী ভাবে পাওয়া যায় এই চাকরি? রইল তারই সুলুকসন্ধান।

Advertisement

এক জন সিবিআই অফিসারের কাজ হল বড় দুর্নীতি, বিশেষ অপরাধ, জালিয়াতি এবং আর্থিক অপরাধের ঘটনার সমাধান করা।

সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন তিনটি উপায়ে উপযুক্ত প্রার্থীদের নিয়োগ করে। বিভাগীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, এসএসসি (স্টাফ সিলেকশন কমিশন) সিজিএল পরীক্ষা, এবং ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা। এসএসসি সিজিএল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনে (সিবিআই) সাব ইনস্পেক্টর হওয়া যায়। পরে অভিজ্ঞতা ও পদোন্নতির মাধ্যমে ইনস্পেক্টর-সহ উচ্চপদে নিযুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়ঃসীমা

যে কোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কোনও বিষয়ে স্নাতক হতে হবে। বিজ্ঞান, কলা, বাণিজ্য বা ইঞ্জিনিয়ারিং— সব বিষয়ের শিক্ষার্থীরাই আবেদন করতে পারেন। সাধারণ প্রার্থীদের জন্য বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। সংরক্ষিত বিভাগের প্রার্থীদের জন্য বয়সের ছাড় দেওয়া রয়েছে।

স্টাফ সিলেকশন কমিশন দু’টি স্তরে এসএসসি সিজিএল পরীক্ষার আয়োজন করে থাকে। টায়ার ১ এবং টায়ার ২।

টায়ার ১: অনলাইনের মাধ্যমে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। ১০০টি প্রশ্ন থাকে। সঠিক উত্তরের জন্য ২ নম্বর করে ধার্য থাকে এবং প্রতি ভুল উত্তরে ০.৫০ নম্বর কাটা হয়। সময়সীমা ১ ঘণ্টা ধার্য থাকে। মূলত চারটি বিষয়ের উপর পরীক্ষা নেওয়া হয়। গণিত, ইংরেজি, সাধারণজ্ঞান এবং রিজ়নিং, সমকালীন ঘটনাপরম্পরা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে।

টায়ার ২: এই পরীক্ষাও অনলাইনে হয়। এ ক্ষেত্রেও ওই চারটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা হয়। সময়সীমা থাকে ২ ঘণ্টা।

এর পর কম্পিউটারের উপর প্রার্থীর কতটা দক্ষতা রয়েছে তা পর্যালোচনা করা হয়। এবং শেষ ধাপে শারীরিক পরীক্ষা ও নথি যাচাইকরণ করা হয়। উত্তীর্ণ হলে সিবিআই-এ যোগ দেওয়ার সুযোগ মেলে।

সিজিএল পরীক্ষা ছাড়াও সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যমেও নিযুক্ত হওয়া যায়। তবে, সে ক্ষেত্রে ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (আইপিএস) অফিসার হয়ে পরবর্তীতে ডেপুটেশনের ভিত্তিতে সিবিআই-তে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। সাধারণত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে এই ধরনের নিয়োগ করা হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন