Valentine's Week 2026

বাগ্‌দান সেরেছেন বান্ধবী অদ্রিজা! প্রেমের সপ্তাহে একাকী দেবচন্দ্রিমা, কেমন সঙ্গী চান তিনি?

কিছু দিন আগেই বান্ধবীর বাগ্‌দানের জন্য দক্ষিণ ভারত থেকে ঘুরে এলেন। তবে তিনি নিজে এখনও ‘ঘোষিত সিঙ্গল’। প্রেমের সপ্তাহে কি তাই একটু হলেও মনখারাপ দেবচন্দ্রিমা সিংহরায়ের?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১১
অদ্রিজা ও বিগ্নেশের বাগ্‌দান দেখে এলেন দেবচন্দ্রিমা।

অদ্রিজা ও বিগ্নেশের বাগ্‌দান দেখে এলেন দেবচন্দ্রিমা। ছবি: সংগৃহীত।

তাঁর পায়ের তলায় সর্ষে। সময় সুযোগ পেলেই দেশবিদেশ ঘুরে বেড়ান। কিছু দিন আগেই বান্ধবীর বাগ্‌দানের জন্য দক্ষিণ ভারত থেকে ঘুরে এলেন। তবে তিনি নিজে এখনও ‘ঘোষিত সিঙ্গল’। প্রেমের সপ্তাহে কি তাই একটু হলেও মনখারাপ দেবচন্দ্রিমা সিংহরায়ের? আনন্দবাজার ডট কম-কে কী জানালেন অভিনেত্রী?

Advertisement

প্রেম দিবসের প্রসঙ্গ উঠতেই দেবচন্দ্রিমা বলে ওঠেন, “এ তো যুগলদের দিন। আমার মতো সিঙ্গল মানুষ আর কী করবে!” তবে প্রতিটি দিনকেই প্রেমের দিন মনে করেন অভিনেত্রী। অদ্রিজার বিয়ের পরে কি তাঁর ‘ফোমো’ হচ্ছে? দেবচন্দ্রিমার স্পষ্ট উত্তর, “একেবারেই না। বিয়ে একটা বড় সিদ্ধান্ত। দুটো মানুষ তো বটেই, তা ছাড়া দুটো পরিবারের ভূমিকা থাকে বিয়েতে। তাই চিন্তাভাবনা করে বিয়ে করা উচিত। বন্ধুরা বিয়ে করছে, সেই চাপে বিয়ে করে নেওয়া মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। এখন আমরা সবাই পরিণত।”

তবে বিয়েবাড়ির আসরে দেবচন্দ্রিমাকেও শুনতে হয়, "তোর বিয়েটা কবে হচ্ছে?'' অভিনেত্রীর কথায়, “মেয়েদের এই কথাটা শুনতেই হয়। সেটা তো আর বদলাতে পারব না। তবে আমার চারপাশের মানুষ ভাবে না, একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরে বিয়ে করতেই হয়। ২৭-২৮ বছর বয়সে ভুল বিয়ে করার চেয়ে ৫০ বছরে বয়সে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ভাল বলে মনে করি। সমাজের চাপে পড়ে কিছু করতে চাই না।”

তা হলে কি প্রেমের সপ্তাহে ‘একাকী’ দেবচন্দ্রিমা আত্মপ্রেমে মগ্ন হবেন? অভিনেত্রীর বক্তব্য, “আমার কাছে আত্মপ্রেম (সেল্‌ফ লভ) মানে আত্মসম্মান।” দীর্ঘ দিন একা রয়েছেন দেবচন্দ্রিমা। তাই নিজের পছন্দ অপছন্দ, সব নিয়ে ভাবারও অনেকটা সময় পেয়েছেন। একটা বিষয় বুঝেছেন, যে মানুষের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স রয়েছে, তাঁর সঙ্গেই বন্ধুত্ব সম্ভব। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এই উপলব্ধি তাঁর। আরও একটি বিষয়ে তিনি বলেন, “অনেক সময় আমরা নিজেদের ভুলও বুঝে উঠতে পারি না। এখন সেটা পারি এবং ভুল হলে ক্ষমা চাইতেও আমার সমস্যা হয় না। কিন্তু আমি ভুল না করলে কখনও ভুল স্বীকার করি না।”

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেবচন্দ্রিমা বুঝেছেন, নিজের মতোই সঙ্গীর সম্মান রক্ষা করাও বড় দায়িত্ব। সম্পর্ক নিয়ে এখন তাঁর স্পষ্ট ধারণা, “সম্পর্কে না টেকাতে পারলে, আলোচনার মাধ্যমে সেটা শেষ করে বেরিয়ে আসা উচিত। থাকতেও পারছি না, আবার বেরোতেও পারছি না, এটা খুব অসুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ।” অভিনেত্রী প্রেমে বিশ্বাসী। তাই মনের মধ্যে একটা ধারণা রয়েছে, ভবিষ্যতে কেমন সঙ্গী চান। দেবচন্দ্রিমার স্বীকারোক্তি, “বিশ্বস্ত হবে, ভালবাসবে, সম্মান করবে, এটা তো মূল চাহিদা। সেই সঙ্গে এখন চাইব, সঙ্গী যেন আমার কাজের জায়গাটা বোঝে। আমি কী ভাবে নিজের জায়গা তৈরি করেছি, সেটা বোঝার ক্ষমতা যেন তার থাকে। আসলে এখন ভালবাসার থেকে সম্মান করাটা বেশি জরুরি।”

সম্পর্কে ভালবাসা প্রকাশ করেন অনেকেই। তবে সেই সম্পর্কটা শেষ হয়ে যেতেই প্রাক্তনের নামে বিষোদ্গার করেন। এমন আচরণ পছন্দ নয় দেবচন্দ্রিমার। এক সময় যে সম্পর্কটা ছিল, তারও কিছু সম্মান প্রাপ্য রয়েছে বলেই মনে করেন অভিনেত্রী।

Advertisement
আরও পড়ুন