Parineeta Serial

প্রথমে খুব ভয় পেয়েছিলাম, গায়ের রঙের জন্য স্কুলে অনেক কটু কথা শুনতে হয়েছিল: ঈশানী

এই মুহূর্তে ‘পরিণীতা’ ধারাবাহিকে তাঁর অভিনীত চরিত্র নিয়ে বিপুল আলোচনা হচ্ছে। রায়ান এবং পারুলের জুটিও দর্শকের প্রিয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:০৯
অভিনয়যাত্রা খুব একটা মসৃণ ছিল না ঈশানীর।

অভিনয়যাত্রা খুব একটা মসৃণ ছিল না ঈশানীর। ছবি: সংগৃহীত।

দুর্গাপুরের মেয়ে অভিনেত্রী ঈশানী চট্টোপাধ্যায়। পড়াশোনার সূত্রে কলকাতায় আসা। ছোটবেলা থেকে ইচ্ছে ছিল চিকিৎসক হওয়ার। তা হয়নি। তবে কলকাতায় ‘মাইক্রোবায়োলজি’ পড়তে এসেছিলেন তিনি। তার পরে হঠাৎই আসে সুযোগ। এখন তিনি সবার কাছে পারুল। তবে তাঁর যাত্রা যে খুব মসৃণ ছিল, তা নয়। গায়ের রঙের জন্য কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে।

Advertisement

এই মুহূর্তে ‘পরিণীতা’ ধারাবাহিকে তাঁর অভিনীত চরিত্র নিয়ে বিপুল আলোচনা হচ্ছে। রায়ান এবং পারুলের জুটিও দর্শকের প্রিয়। আনন্দবাজার ডট কম–এর তরফে প্রশ্ন করা হয়, নেতিবাচক মন্তব্য বা কটাক্ষ কী ভাবে সামলান ঈশানী? অভিনেত্রীর স্পষ্ট জবাব, একটা সময়ে নেতিবাচক মন্তব্যের প্রভাব পড়ত তাঁর উপরে, কিন্তু এখন এ সবকে গুরুত্ব দেন না তিনি।

ঈশানী বলেন, “ধারাবাহিকের শুরুর দিকে অনেকে আমাকে দেখে বলেছিলেন, ‘দেখতে ভাল নয়। মানাচ্ছে না। এ পারবে না। রাত আটটার গুরুত্বপূর্ণ স্লট, পারবে না।’ এগুলো শুনে প্রথমে মনখারাপ হয়েছিল। ভয় পেয়েছিলাম। নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, সবার মন্তব্য পড়ে। আর গায়ের রং তো আমি পাল্টাতে পারব না। তা ছাড়া আমি নিজের গায়ের রং নিয়ে খুবই আত্মবিশ্বাসী। স্কুলে পড়ার সময়ে এই কারণে যদিও আমাকে প্রচুর কুমন্তব্য সহ্য করতে হয়েছে। তবে এখন আর ভাবি না। নিজের গায়ের রং নিয়ে আমি খুবই গর্বিত।”

কলকাতায় পড়াশোনার জন্য এলেও পড়া এখনও শেষ হয়নি। তবে অভিনেত্রী জানান, প্রথম ধারাবাহিকের কাজ মন দিয়ে শেষ করে তার পরে পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। চলতি সপ্তাহেও টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থানে ছিল ‘পরিণীতা’।

Advertisement
আরও পড়ুন