ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। ছবি: সংগৃহীত।
একদা বলিউডের পয়লা নম্বর অভিনেত্রী ছিলেন ঐশ্বর্যা রাই। স্বেচ্ছায় সিনেমার পর্দা থেকে সরে গিয়েছেন। তবে তাঁর কেরিয়ারের শুরুর দিকের পথ খুব মসৃণ ছিল না। মেঙ্গালুরুর মেয়ে তিনি। সেখান থেকে মুম্বইয়ে এসে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার যে ল়ড়াই, সেটা নেহাত সহজ ছিল না। কেরিয়ারের শুরুর দিকে খোলামেলা পোশাক পরায় আপত্তি ছিল তাঁর। কর্মজীবনের শুরুতে বিজ্ঞাপন করে কত টাকা পারিশ্রমিক পেতেন, প্রকাশ্যে সেই তথ্য।
১৯৯২ সাল। ঐশ্বর্যা তখন মুম্বইয়ে একেবারেই নতুন। মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতাও তখনও বছর দুয়েক দেরি। বলিউড ছবির দুনিয়ায় পা রাখা তো ঢের দূরের কাহিনি। ঐশ্বর্যা তখন সবে টুকটাক মডেলিং করছেন। সেই সময়ে একটি বিজ্ঞাপনের কাজের জন্য একটি পিঠখোলা ব্লাউজ় পরতে বলা হলে আপত্তি জানান ঐশ্বর্যার মা। ওই বিজ্ঞাপনের পরিচালক ছিলেন অবিনাশ ত্রিপাঠী। তিনি বলেন, ‘‘ঐশ্বর্যা খুব সাধারণ মেয়ে ছিলেন। খোলামেলা পোশাকে আপত্তি ছিল ওঁর। আমি ওঁকে এবং ওঁর মাকে আশ্বস্ত করি, যা হবে খুবই সৃজনশীল ভাবেই হবে। তাতে খানিক আশ্বস্ত হন তিনি।’’ তেমনই একসময়ে একটি পত্রিকার জন্য মডেলিং করেছিলেন তিনি।
নেটমাধ্যমে সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে কেরিয়ার শুরুর সময়কার ওই শুটের বিল। তাতে দেখা যাচ্ছে, ওই কাজের জন্য ঐশ্বর্যা হাতে পেয়েছিলেন মাত্র দেড় হাজার টাকা! জানা গিয়েছে চুক্তির খুঁটিনাটিও। ঐশ্বর্যা তখন বছর আঠারো। দেড় হাজার টাকার বিনিময়ে একটি পত্রিকার ক্যাটালগ শুটের জন্য সম্মতি দিয়েছেন তিনি। নীচে স্বাক্ষর রয়েছে অভিনেত্রীর। পরে একটি বিজ্ঞাপনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। তাঁর জন্য পেয়েছিলেন প্রায় ৫ হাজার টাকা। তবে একসঙ্গে তিনটি বিজ্ঞাপনের প্রস্তাব পান। সেই সময়ে অর্জুন রামপাল ছিলেন ঐশ্বর্যার প্রথম সহ-অভিনেতা।