লীনা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে বললেন প্রযোজক-পরিচালক সুশান্ত দাস। ছবি: ফেসবুক।
শুটিংয়ে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কড়া করেছেন প্রযোজক-পরিচালক সুশান্ত দাস। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু তটস্থ করেছে তাঁকেও।
গোটা দেশ রাহুলের মৃত্যুতে স্তব্ধ! হিন্দি বলয়েও তাঁকে নিয়ে এবং যে ধারাবাহিকের আউটডোর শুটিং করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন, সেই ‘ভোলেবাবা পার করেগা’র কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে কম আলোচনা হচ্ছে না। এই দুর্ঘটনা কি বলিউডে মুখ পোড়াল বাংলার? জানতে আনন্দবাজার ডট কম যোগাযোগ করেছিল সুশান্তের সঙ্গে। তাঁর কথায়, “খুব সাড়া ফেলেছে, এমনটা বলতে পারি না। কিছু সংবাদমাধ্যম রাহুলের মৃত্যু নিয়ে খবর করেছে। ওই পর্যন্তই।”
এ দিকে, মঙ্গলবার টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় আর্টিস্ট ফোরাম এবং ফেডারেশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যত ক্ষণ না নির্দোষ প্রমাণিত হচ্ছেন, তত দিন পর্যন্ত বাংলায় লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এবং শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-এর সঙ্গে কাজ করবেন না অভিনেতা, কলাকুশলীরা। শোনা যাচ্ছে, হিন্দিতেও যাতে তাঁরা কাজ করতে না পারেন, তার পদক্ষেপও করা হতে পারে আগামী দিনে।
সত্যিই কি হিন্দি দুনিয়ায় লীনা-শৈবালের কাজ আগামী দিনে থমকে যেতে পারে? জবাবে সুশান্তের মত, “সর্বভারতীয় স্তরে আলোচনা চললেও দুর্ঘটনাটি গভীর প্রভাব ফেলতে পারেনি। সেই জায়গা থেকে মনে হয় না হিন্দি বলয়ে লীনাদি-শৈবালদার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। একটি সর্বভারতীয় সিনে সংগঠন বিষয়টি নিয়ে চিঠি চালাচালি করেছে শুনেছি। তার বেশি কিছু হয়েছে বলে মনে করছি না।”
তবে এই ঘটনা তাঁদের উপরে যে চাপ বাড়িয়েছে সে কথা স্বীকার করেছেন সুশান্ত। দাবি, “সম্প্রতি, ১০০ বছরের পুরনো একটি বা়ড়িতে শুটিং করছিলাম। অভিনেতাদের সারা ক্ষণ চোখে চোখে রেখেছি। বলেছি, ভুলেও রেলিংয়ে যেন কেউ হেলান দিও না। মনে দিয়ে কাজ করো। দ্রুত বাড়ি যাও।” ওর আগে জলে শুটিংয়ের আগে তিনি নিয়ে গিয়ে জলে নেমে মেপেছেন জলের গভীরতা। তার পর অভিনেতাদের জলে নামতে দিয়েছেন। রাহুলের ঘটনা তাঁর চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। সুশান্ত চান না, আর কেউ রাহুলের মতো এভাবে অকালে প্রয়াত হন।