বাবা ধর্মেন্দ্রর কারণে নতুন বছরে দূর হল দেওলদের পারিবারিক দূরত্ব! ছবি: সংগৃহীত।
সদ্য প্রয়াত হয়েছেন ধর্মেন্দ্র। শোনা যাচ্ছে, তার পর থেকেই দেওল পরিবারের অন্দরের সংঘাত স্পষ্ট হয়েছে। মুম্বইয়ে প্রয়াত অভিনেতার প্রথম স্ত্রী ও তাঁর দুই ছেলে সানি ও ববি স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন। সেখানে দেখা যায়নি দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনীকে। পরে দিল্লিতে অভিনেতার জন্য আলাদা স্মরণসভায় আয়োজন করেন তাঁর অভিনেত্রী হেমা। সেখানে ছিলেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহ থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতা-মন্ত্রীরা। ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পর থেকে দুই পক্ষের ছেলেমেয়েদেরও একসঙ্গে দেখা যায়নি এক বারও। এ বার বর্ষবরণের রাত কাছে আনল ভাইবোনদের!
ঈশা দেওল বর্ষবরণের রাতে দুবাইয়ে ছিলেন। সেখানেই নতুন বছরকে স্বাগত জানান। তবে সেই উদ্যাপনের মধ্যেও বাবাকে হারানোর যন্ত্রণা ছিল তাঁর। তাই বর্ষবরণের রাতে নতুন বছর শুরুর মুহূর্তের ছবি দিয়ে আকাশের দিকে আঙুল দেখিয়ে লেখেন, ‘‘মিস্ করছি তোমাকে বাবা।’’ ঈশার ছবিতে ‘ভালবাসা’ জানিয়ে বড় দাদা ববি দেওলও একই মন্তব্য করেন বাবাকে নিয়ে।
বড়দিনেও সেজেগুজে ছবি দিয়েছিলেন ঈশা। তখন তাঁর মন্তব্যবাক্স বন্ধ করে রাখেন লোকজনের কটু মন্তব্য থেকে বাঁচতে। যদিও নতুন বছরে ততটা কড়া হননি। অভিনেত্রীর এই পোস্টে অনেকে ‘ভালবাসা’ যেমন জানিয়েছেন, তেমনই মন শক্ত রাখার উপদেশও দিয়েছেন অভিনেত্রীকে।
পাশাপাশি, ববি তাঁর এই পোস্টের মাধ্যমে দুই পরিবারের সংঘাতের যে কথা উঠছিল, তাও যেন বন্ধ করে দিলেন।