Jacqueline Fernandez

জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন সুকেশ, এর পরই আলোচিত প্রেমিকের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ জ্যাকলিনের

গত ৭ এপ্রিল দিল্লি উচ্চ আদালত সুকেশ চন্দ্রশেখরকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে। এ বার পাল্টা রাজসাক্ষী হওয়ার আর্জি জানালেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৫২
Jacqueline Fernandez turns Against to Sukesh Chandrasekhar in 200 crore case

সুকেশ ছাড়া পেতেই কী পদক্ষেপ জ্যাকলিনের? ছবি: সংগৃহীত।

কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ়ের আলোচিত প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখর। কারাবাস থেকেই প্রেমিকাকে নানা উপহার ও প্রেমপত্র পাঠাতেন। আশ্বাস দিতেন, খুব শীঘ্রই তিনি দেখা করবেন। গত ৭ এপ্রিল দিল্লি উচ্চ আদালত সুকেশকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে। এ বার পাল্টা রাজসাক্ষী হওয়ার আর্জি জানালেন অভিনেত্রী।

Advertisement

সুকেশের কোটি কোটি টাকা আর্থিক তছরুপ কাণ্ডে ২০২২ সালের অগস্টে ইডি-র চার্জশিটে অন্যতম সহ-অভিযুক্ত হিসেবে নাম ছিল জ্যাকলিনের। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সুকেশের অপরাধের কথা জেনেও জ্যাকলিন তাঁর কাছ থেকে গয়না, দামি পোশাক এবং গাড়ি-সহ প্রায় ৭ কোটি টাকার উপহার নিয়েছিলেন। ইডি-র আরও অভিযোগ, সুকেশ গ্রেফতার হওয়ার পরে জ্যাকলিন নিজের ফোন থেকে সমস্ত তথ্য মুছে ফেলেছিলেন এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রথমে গোপন করার চেষ্টা করেছিলেন। একটা সময় পাসপোর্ট জমা রাখা হয় জ্যাকলিনের। বছর দুয়েক বাদে পাসপোর্ট ফেরত পান। যদিও মাঝের ক’টা বছর ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হয়েছে জ্যাকলিনকে।

তদন্তকারী সংস্থার মতে, এই মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে একটি বড় প্রতারণামূলক নেটওয়ার্কের যোগাযোগের ইঙ্গিত মিলেছে। বেশ কয়েক বছর ধরেই তিনি তদন্তের আওতায় রয়েছেন। তবে জামিন পেলেও সুকেশ এখনই সংশোধনাগার থেকে বেরোতে পারবেন না। বিভিন্ন জায়গায় তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৩১টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। কিন্তু এখনও পাঁচটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ২০০ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ছিল সুকেশের বিরুদ্ধে। কয়েক মাস আগেই সুপ্রিম কোর্ট জ্যাকলিনের বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি প্রক্রিয়া বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ বার এই মামলায় জ্যাকলিন রাজসাক্ষী হলে সুকেশ কি তবে আরও আইনি বিড়ম্বনায় পড়বেন! তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতিই তা নির্ধারণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
আরও পড়ুন