সলমনের আইনি নোটিস ছিঁড়লেন প্রযোজক! ছবি: সংগৃহীত।
কৃষ্ণসার হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে ছবি। সলমন খানের নাম এই বিতর্কের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ‘কালা হিরণ’ নামে সেই ছবির খবর প্রকাশ্যে আসতেই আপত্তি জানান সলমন খান ও তাঁর সহযোগী দল। তাঁদের পক্ষ থেকে প্রযোজক অমিত জানিকে আইনি নোটিসও পাঠানো হয়।
সেই নোটিসে এই ছবি নিয়ে এগোতে নিষেধ করা হয়েছে এবং সলমনের কাছে নাকি ক্ষমা চাওয়ারও দাবি জানানো হয়। বৃহস্পতিবার অমিত জানি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো তুলে ধরেন। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তিনি সলমনের তরফে পাঠানো নোটিসটি ছিঁড়ে ফেলছেন এবং সেইসঙ্গে দাবি করেন যে, তিনি প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন।
ভিডিয়োর সঙ্গে তিনি লেখেন, “আমি কার জবাব দেব? নোটিসের, না কি হুমকির? সলমন ভাই, আপনার আইনি নোটিস আমি ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছি। আর আপনার পক্ষ থেকে যারা ‘ডি কোম্পানি’র নাম করে হুমকি দিচ্ছে, তাদেরও দেখে নেব।”
সেই একই ভিডিয়োয় ‘কালা হিরণ’ ছবির প্রযোজক আরও বলেন, “অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করছেন, সলমন খানের পাঠানো নোটিসের কী জবাব দেব। গত ৩৬ ঘণ্টায় আমি হাজার হাজার মৃত্যুর হুমকি পেয়েছি। এ-ও বলা হয়েছে, আমি যদি মুম্বই যাই, তা হলে আমার মাথা কেটে ফেলা হবে। এই হুমকিগুলো নাকি ডোংরি, ধারাভি ও যোগেশ্বরী এলাকায় সলমনের ভক্তদের থেকে এসেছে।” এর পরেই ভিডিয়োয় তিনি নোটিসটি ছিঁড়ে ফেলেন এবং বলেন, “এটাই আমার জবাব। আপনাদের হুমকিরও এটাই উত্তর।”
একই ছবিতে লরেন্স বিশ্নোই ও সলমন খান। কয়েক দিন আগে এমনই দাবি করেছিলেন এই ছবির প্রযোজক। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “১৯৯৮ সালে সলমন খানের কৃষ্ণসার শিকারের অভিযোগ নিয়ে একটি রহস্য-রোমাঞ্চমূলক ছবি হবে। লরেন্স বিশ্নোই এবং সলমন খানের দ্বন্দ্বটি চিত্রায়িত করা হয়েছে। শুটিং হয়েছে উত্তরপ্রদেশের সম্ভল, মোরাদাবাদ এবং অন্যান্য শহরে।”