sara ali khan kedarnath controversy

‘সত্যিটা লিখতে এত ভয় কিসের?’ কেদারনাথে সারা আলির প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কী মত কঙ্গনার?

কেদারনাথ মন্দিরে ঢুকতে গেলে সারাকে দিতে হবে আদালতের হলফনামা। এটা নিয়ে সারার উদ্দেশে কী মন্তব্য কঙ্গনার?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৬:১৯
(বাঁ দিকে) সারা আলি খান, (ডান দিকে) কঙ্গনা রনৌত।

(বাঁ দিকে) সারা আলি খান, (ডান দিকে) কঙ্গনা রনৌত। ছবি: সংগৃহীত।

কেদারনাথ মন্দির সারা আলি খানের প্রিয়। সময় পেলেই কেদারনাথ, বদ্রীনাথ ভ্রমণে বেরিয়ে পড়েন। এ ছাড়াও ‘কেদারনাথ’ ছবির মাধ্যমেই বলিউডে আত্মপ্রকাশ সারার। তিনি শিবভক্তও। সেই টানেই ছুটে যান সেখানে। এ বার কেদারনাথে অহিন্দুদের প্রবেশ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মন্দির কমিটি। সেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন সারাও। যদিও সারার ক্ষেত্রে কড়াকাড়ি শিথিল হতে পারে বলে খবর। এ জন্য সারাকে দিতে হবে আদালতের হলফনামা। অর্থাৎ হিন্দু ধর্মের প্রতি যে তাঁর বিশ্বাস রয়েছে, সে ব্যাপারেই হলফনামা দিতে হবে তাঁকে। এ দিকে বিষয়টি নিয়ে সারাকে উদ্দেশ করে কী বললেন বিজেপির সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত?

Advertisement

সম্প্রতি লোকসভায় ঢোকার মুখে সাংবাদিকদের তরফ থেকে সারা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করাতেই কঙ্গনা বলেন, ‘‘আসলে আমরা সকলেই সনাতনী। যাঁদের দেখছেন এঁরা সকলে সনাতনী। সনাতনের অর্থ, যাঁর না কোনও আদি আছে, না অন্ত। সব ধর্মই দেড় থেকে দু’হাজার বছরের পুরনো। সেগুলো সনাতনী। তা হলে ওঁর (সারা) সত্যিটা লিখতে ভয়টা কিসের, লিখে দিলেই তো হয়।’’

খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে চারধাম যাত্রা। কেদারনাথ মন্দির কমিটির সভাপতি হেমন্ত দ্বিবেদী জানিয়েছিলেন, যাঁরা হিন্দু নন তাঁরা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন না। মঙ্গলবার অবশ্য পূর্ব অবস্থান থেকে সরে গিয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি বলেন, ‘‘সনাতনী ধর্মাবলম্বী ছাড়া অন্যেরা মন্দিরে প্রবেশ করতে গেলে দিতে হবে বিশ্বাসের হলফনামা। সারা আলি খান যদি মন্দির প্রবেশ করতে চান তা হলে তাঁকেও নির্দিষ্ট হলফনামা জমা দিতে হবে। কেবলমাত্র তখনই তাঁকে মন্দিরে ঢোকার অনুমতি দেব আমরা।’’

যদিও এই প্রথম নয়, আগেও কেদারনাথ মন্দির গিয়েছেন সারা। অহিন্দু হয়েও কোন টানে বার বার কেদারনাথ ছুটে যান তিনি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। তবে সকল ধর্মের প্রতিই যে তাঁর আস্থা রয়েছে সে কথা বার বার বলেছেন সারা। পাশাপাশি, অভিনেত্রী এ-ও জানান, ছোটবেলা থেকে তাঁর মা ধর্মীয় পরিচয়ে নয়, তাঁকে ভারতীয় পরিচয়ে বড় করে তুলেছেন।

অন্য দিকে, নেটাগরিকদের একাংশের কটাক্ষের মুখে পড়েছেন কঙ্গনাও। তাঁদের অনেকের প্রশ্ন, হলফনামা জমা দিলেই কি কোনও ধর্মের প্রতি বিশ্বাস প্রমাণিত হয়? কেউ কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘কঙ্গনার সব বিষয়ে এত মতামত দেওয়ার কী আছে কে জানে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন