অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় কষ্ট হত মাধুরীর? ছবি: সংগৃহীত।
‘দেবদাস’ ছবিতে মাধুরী দীক্ষিতের অভিনয় মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। বিশেষত, তাঁর নাচ সেই সময়ে সাড়া ফেলেছিল। সম্প্রতি খবর ছড়ায়, ‘দেবদাস’ ছবির সময়ে নাকি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন মাধুরী। সেই অবস্থাতেই শুটিং করেছিলেন। সত্যিই কি তাই? সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
খবর ছড়ায় ‘ডোলা রে ডোলা’ গানটির শুটিং চলাকালীন মাধুরীর গর্ভে ছিল সন্তান। তখন তিনি নাকি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। প্রয়াত কোরিয়োগ্রাফার সরোজ খানের প্রাক্তন সহযোগী রুবিনা খান এই দাবি করেছিলেন। তার পরেই এই খবর নেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে মাধুরী জানিয়েছেন, এই খবর সম্পূর্ণ ভুল। বড় ছেলে অরিন নেনের জন্মসালের কখা উল্লেখ করেও হিসাব পরিষ্কার করেছেন মাধুরী।
‘দেবদাস’ মুক্তি পেয়েছিল ২০০২ সালের ১২ জুলাই। তার আগে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ২০০২ সালের ২৩ মে ছবির প্রদর্শন হয়। ছবিটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে। শেষ হয়েছিল ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে। আর মাধুরীর বড় পুত্র অরিনের জন্ম ২০০৩ সালের মার্চ মাসে। সাক্ষাৎকারে হাসতে হাসতেই অভিনেত্রী বলেন, “অরিনের জন্ম ২০০৩ সালে। তাই হিসাবটা আপনারাই করে নিন।”
সরোজ খানের প্রাক্তন সহযোগী রুবিনা খান দাবি করেছিলেন, ‘ডোলা রে ডোলা’ গানের শুটিংয়ের সময়ে মাধুরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং সেই কারণে তাঁর নাচতে অসুবিধা হচ্ছিল। মাধুরীর বক্তব্য, শুটিং অবশ্যই খুব কষ্টকর ছিল। কিন্তু তার কারণ গর্ভাবস্থা নয়। তিনি বলেন, “সেই সময়ে বার বার দেশে ও বিদেশে যাওয়া-আসা করতে হচ্ছিল। পাশাপাশি, আমার বেশিরভাগ শুটিংই রাতে হত। তাই কাজটা খুবই ক্লান্তির ছিল। আমি কিছুটা অসুস্থ বোধ করছিলাম, কিন্তু অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম না।”
১৯৯৯ সালে চিকিৎসক শ্রীরাম নেনেকে বিয়ে করার পর মাধুরী মুম্বই ও ডেনভারের মধ্যে সময় ভাগ করে নিতেন। বিয়ের পরেও তিনি ছবিতে কাজ চালিয়ে যান। তবে ‘দেবদাস’ ছিল মাতৃত্বের জন্য বিরতি নেওয়ার আগে তাঁর শেষ বড় ছবি।