Shekhar Suman

মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি ত্যাগ করেন শেখর সুমন! রাজনীতিতে কেন এমন সিদ্ধান্ত? মুখ খুললেন তিনি

শেখরের অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী এসেছিলেন। বিজেপির প্রাক্তন সদস্য হওয়ার জন্যই কি অনুষ্ঠানে তাঁকে নিয়ে আসতে সুবিধা হয়েছিল শেখর সুমনের?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ১৬:২২
Shekhar Suman revealed why he left BJP within 24 hours

কেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি ত্যাগ করেছিলেন শেখর সুমন? ছবি: সংগৃহীত।

বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন শেখর সুমন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বদলে গিয়েছিল সব। এক দিনের মধ্যেই সদস্যপদ ত্যাগ করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি নিজের নতুন অনুষ্ঠান নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন শেখর সুমন। সেখানেই নিজের রাজনৈতিক জীবন নিয়েও কথা বলেন তিনি।

Advertisement

শেখরের অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকড়ী এসেছিলেন। বিজেপির প্রাক্তন সদস্য হওয়ার জন্যই কি অনুষ্ঠানে তাঁকে নিয়ে আসতে সুবিধা হয়েছিল শেখরের? এই প্রশ্নের উত্তরে কৌতুকশিল্পী প্রথমেই বলেন, “আমি তো বিজেপির সদস্য ছিলাম মাত্র ২৪ ঘণ্টার জন্য।” কিন্তু কেন যোগ দিয়েই ছেড়ে দিয়েছিলেন বিজেপি? শেখরের উত্তর, “আমি জানি না। অনেক সময়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়, যেখানে আমরা হয়তো এক কোণে আটকে পড়ি। আসলে এমন কিছু কারণ থাকে, যা নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে। আমার জীবনে দু’বার এমন হয়েছে। যা আসলে করতে চাইনি, কিন্তু করতে বাধ্য হয়েছি।”

শুধু বিজেপি নয়। একসময়ে কংগ্রেসেও যোগ দিয়েছিলেন শেখর সুমন। তিনি সেই প্রসঙ্গে বলেন, “আমি এক বার কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনেও লড়েছিলাম। ২০১১ সালে। তখন আমি শত্রুঘ্ন সিন্‌হার কাছে হেরে গিয়েছিলাম। তিনি তখন বিজেপি-তে ছিলেন। সেখানেও আমাকে অনেকটা চাপের মধ্যে পড়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। প্রার্থী হওয়ায় আমার খুব একটা আগ্রহ ছিল না। এখনও বুঝতে পারি না যে, কেন ওই কাজ করেছিলাম। তবে সেটা শুধুমাত্র সদস্যপদই ছিল। কোনও পূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা নয়।”

নিজের অনুষ্ঠানে নানা রকমের রাজনৈতিক ব্যঙ্গও করেন শেখর সুমন। এই ধরনের রাজনৈতিক ব্যঙ্গ করার জন্য নিরপেক্ষ থাকা জরুরি কি না, তা নিয়েও কথা বলেন অভিনেতা। তাঁর কথায়, “এই ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকা জরুরি। আপনি বাম বা ডান— কোনও পক্ষই নিতে পারবেন না। আপনাকে মাঝামাঝি অবস্থানে থাকতে হবে।” আজকের যুগে বার বার মেরুকরণের রাজনীতির প্রসঙ্গ উঠে আসে। এমন অবস্থায় রাজনৈতিক ব্যঙ্গের বিষয়ে কী কী দিক খেয়াল রাখেন শেখর? কৌতুকশিল্পী বলেন, “পরিস্থিতি বুঝে এগোতে হবে। এখনও পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই চলছে। অতিথিদের সঙ্গে হালকা মজা করা, একটু খুনসুটি করা যেতেই পারে। আসল বিষয় হল, আপনি কী ভাবে তাঁদের সঙ্গে কথা বলছেন। যদি কাউকে অপমান করা বা ছোট করার উদ্দেশ্য থাকে, তা হলে অবশ্যেই কেউ পছন্দ করবে না। কিন্তু হালকা মজা বা ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা পর্যন্ত সব ঠিক আছে। আসলে মনে করি, রাজনীতিবিদদেরও একটা মানবিক দিক রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁরাও তো কারও বন্ধু।”

Advertisement
আরও পড়ুন