হিয়া আর ঋত্বিকের বন্ধুত্ব কি গড়াচ্ছে অন্য দিকে? ছবি: সংগৃহীত।
আর কিছু দিন পরেই মুক্তি পাবে রাহুল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘মন মানে না’ ছবিটি। এই ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় প্রথম বার দেখা যাবে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে হিয়া চট্টোপাধ্যায়কে। নায়কও নতুন। ঋত্বিক ভৌমিক। ক্যামেরার বাইরে নায়ক-নায়িকার সমীকরণ নিয়ে টলিপাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। পর্দার সম্পর্ক কি বাস্তবজীবনেও প্রভাব ফেলল?
একজন নব্বইয়ের দশকের মিলেনিয়াল। একজন ‘জেন জ়ি’। তবে দু’জনের ভাবনা খুব মেলে। প্রচারের জন্য নায়ক কলকাতায় আসায় নায়িকা তাঁকে আনতে গেলেন বিমানবন্দরে। অনেক দিন পরে নায়ককে দেখে আবেগ চেপে রাখতে পারেননি হিয়া। জড়িয়ে ধরেছিলেন। সেই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই পর্দার নায়ক-নায়িকার সমীকরণ এবং গভীর বন্ধুত্বের আলোচনা আরও জো়রালো হয়েছে। ছবির প্রচারেও নাকি একে অপরের হাত ছাড়ছেন না।
তাঁদের এই সমীকরণ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল আনন্দবাজার ডট কম-এর তরফে। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে হিয়ার উত্তর, “ক্যামেরার সামনে বিদিশা-রাহুল করতে করতে আমরা ওদের মতোই খুনসুটি করে গেলাম। শুটিংয়ের আগে থেকেই আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। এটা আসলে ভাগ্য। প্রথম বার দেখা হওয়ার পরেই মনে হয়েছিল, আমরা একে অপরকে বহু দিন ধরে চিনি। নিজেদের মধ্যে নানা ধরনের মজা করতেই থাকি।”
নায়িকার কথায় খানিকটা সায় দিয়ে নায়ক মজার ছলে বললেন, “অনস্ক্রিনে আমায় মেরেছ, অফ স্ক্রিনেও মেরেছ।” এ কথা বলতে বলতেই আবার নিজেদের মধ্যে খুনসুটি শুরু করলেন তাঁরা। হিয়ার কথায়, ঋত্বিক এটারই যোগ্য। নায়ক যোগ করলেন, “সবটাই ভালবেসে।”
দেখতে দেখতে তাঁদের বন্ধুত্বেরও এক বছর পার হল এর মধ্যেই। তাই বন্ধুত্বের পূর্তির শুভেচ্ছাও জানালেন নায়িকা। এই সমীকরণ দেখে সকলের মনে একটাই প্রশ্ন, তা হলে কি এই সম্পর্ক বন্ধুত্বের চেয়েও বেশি গভীর? নায়ক-নায়িকার থেকে সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর না মিললেও ঋত্বিক বললেন, “ছবির মুক্তির পরেও আমাদের সফর শেষ হবে না। নতুন করে একটা সফর শুরু হবে আমাদের। আমি কলকাতায় আসতে থাকব. তুমি ফুল নিয়ে এয়ারপোর্টে দাঁড়িয়ে থাকবে, আমাদের সারাজীবন মন মানবে না।” নায়কের এই উত্তরই কি নতুন কিছুর ইঙ্গিত? সেই উত্তর অধরা।