Actress Khushi Mukherjee Is In Trouble?

ওরা আমায় মেরে ফেলতে চাইছে! সূর্যকুমারের বার্তা পাঠানোর বক্তব্যই কি বিপদে ফেলল খুশিকে?

অভিযোগ, খুশির গাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে! কালাজাদুও নাকি করা হয়েছে তাঁর উপরে, এমনই অভিযোগ অভিনেত্রীর। কেন এ রকম ঘটছে?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫০
(ডান দিকে) সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে বেঁফাস বলেই কি বিপদে খুশি মুখোপাধ্যায়?

(ডান দিকে) সূর্যকুমার যাদবকে নিয়ে বেঁফাস বলেই কি বিপদে খুশি মুখোপাধ্যায়? ছবি: ফেসবুক।

তাঁকে ক্রমাগত খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। কখনও তাঁর গাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার বার্তা পাঠানো হচ্ছে। কখনও তিনি প্রয়োজনীয় ওষুধ স্থানীয় দোকানে পাচ্ছেন না! রবিবাসরীয় সকাল সরগরম অভিনেত্রী খুশি মুখোপাধ্যায়ের ফেসবুক লাইভে।

Advertisement

এ দিন এক ভিডিয়োবার্তায় খুশির দাবি, “ওরা প্রচণ্ড শক্তিশালী। আমায় বাঁচতে দেবে না।”

কী কারণে খুশির জীবন বিপন্ন? অভিনেত্রী সে সম্পর্কে একটি কথাও বলেননি। বরং, তাঁর সঙ্গে কী কী ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটছে— সে প্রসঙ্গে বিশদে জানিয়েছেন। তবে তাঁর ফেসবুক লাইভ শুনে বলিউডের অনুমান, সম্ভবত ক্রিকেটার সূর্যকুমারকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যের মাশুল গুনছেন খুশি! প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এক সাক্ষাৎকারে খুশি জানিয়েছিলেন, একটা সময় তাঁকে নাকি প্রায়ই বার্তা পাঠাতেন একাধিক ক্রিকেটার। এঁদের মধ্যে অন্যতম সূর্যকুমার।

বলিউডের এ রকম অনুমানের নেপথ্যেও কারণ আছে। খবর, ইতিমধ্যেই উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা দায়ের করেছেন ফয়জান আনসারি নামক এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে সূর্যকুমার যাদবের শহর গাজিপুরের বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন।

আদালতে খুশির বিরুদ্ধে ফয়জান আনসারির কী অভিযোগ? সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী অভিযোগকারীর বক্তব্য, খুশি অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁর প্রিয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে মিথ্যা বার্তা ছড়াচ্ছেন। সূর্যকুমারের সুনাম নষ্ট করাই তাঁর উদ্দেশ্য। অভিযোগকারী তাই গাজিপুরের পুলিশ সুপার ডঃ ইরাজ রাজার কাছে অবিলম্বে অভিনেত্রীকে গ্রেফতারের অনুরোধও করেছেন। যদিও সূর্যকুমার বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি। মুখ খুলেছেন খুশি।

লাইভে এসে খুশি আরও বলেছেন, “শুধুই হুমকিবার্তা বা ওষুধ না পাওয়াতে আটকে নেই বিষয়টি। আমার উপরে কালাজাদু করা হচ্ছে। নিজে থেকেই সারা গায়ে আঁচড়ের দাগ পড়ছে। মধ্যরাতে উড়ো ফোন আসছে। সজোরে দরজায় আঘাত করা হচ্ছে। কখনও ভয়ের সুর বা গানও বাজানো হচ্ছে। যাতে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি।” আরও নানা অঘটন ঘটছে তাঁর সঙ্গে। যেমন, এখনও বিশেষ কোনও কারণে তিনি পৈতৃক সম্পত্তি পাচ্ছেন না। দেহরক্ষীদের দিয়ে অকারণে নানা জায়গায় ‘ব্লক’ করে দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। অনুরাগীর ছদ্মবেশে অনেকে তাঁর ঘনিষ্ট হতে চাইছেন বলেও অভিযোগ তাঁর।

খুশি বুঝতে পারছেন না, কী ভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন। তাই পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছেন, আদৌ কি নিজেকে বাঁচাতে পারবেন তিনি?

Advertisement
আরও পড়ুন