ছোটপর্দায় দোল উদ্যাপন। ছবি: ফেসবুক।
দর্শককে বসিয়ে রাখতে হবে দোলযাত্রার মতো উৎসবমুখর দিনেও। সারা দিন আবির-ফাগে রঙিন হন আট থেকে আশি। সন্ধ্যার মজলিশ যেন ছোটপর্দাকে ঘিরেই বসে। তার জন্য প্রতি বছর চ্যানেলে চ্যানেলে ‘রংবাজি’! রকমারি রং খেলার আয়োজন। আর প্রত্যেক ধারাবাহিকের গল্পে মোক্ষম মোচড়। দ্বন্দ্ব, হিংসা, প্রেম, পূজা, প্রতিশোধের রঙে রঙিন। দোলের দিনে তেমনই কিছু ধারাবাহিকের বিশেষ পর্বের হদিশ আনন্দবাজার ডট কম-এ।
চিরদিনই তুমি যে আমার: রাজনন্দিনী না অপর্ণা— কোনটা সে? দোলের দিনেই নাকি ফাঁস হবে। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে আসবে রাজনন্দিনীর খুনি কে? রঙের উৎসবের দিন মন্দিরে ঈশ্বরের সামনে ‘রাজনন্দিনী’ ভর করবে অপর্ণার উপরে। ‘ভুলভুলাইয়া’ ছবিতে বিদ্যা বালনের উপরে যেমন ‘মঞ্জুলিকা’র আত্মা ভর করেছিল। অপর্ণাকে গাইতেও শোনা যাবে, ‘আমি যে তোমার’... গান! তার পর?
তারে ধরি ধরি মনে করি: প্রেমের রং-ও তো লাল! গাঢ় লাল আবিরের মতো। এ দিন তাই মৃত রূপমঞ্জরীর দ্বিতীয় রূপ অদ্বিতীয়া সিঁদুর পরবে গোরার হাতে! গোরার মা জানতে পারবেন, তাঁর প্রিয় বৌমা মৃত। রূপমঞ্জরীর মতো হুবহু এক দেখতে অদ্বিতীয়া তাঁর বৌমা নয়। তিনি তখনই ছেলের দ্বিতীয় বিয়ে দিতে যান। তত দিনে অদ্বিতীয়ার মনেও যে রং ছড়িয়েছে গোরা! সে কী করে ছেড়ে দেয় তার প্রিয় পুরুষকে? গোরা তা হলে কার!
দাদামণি: ফের সোম-পার্বতীর জীবনে বিপদ। আরও একবার পার্বতীর বাবা পার্থসারথি রায় নায়কের পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করেন। যার জেরে ক্রুদ্ধ সোম ছুরি মারে শ্বশুরকে। রঙের উৎসবে কি শেষে রক্তের ছিটে লাগবে?
জোয়ার ভাটা: জেলবন্দি দুই বোন। উজি আর নিশা। দুই বোনের দ্বন্দ্ব কি রঙের প্রলেপ ঢাকবে? জেলমুক্তির পর ভালবাসার রঙে উজি কি বাঁধতে পারবে তার স্বামী সিদ্ধার্থকে? বিশেষ পর্বে এমনই টানটান উত্তেজনা লুকিয়ে।
কুসুম: আশ্রিতা কুসুমকে খুনের চেষ্টা তার শত্রুদের। গঙ্গা জলের পাত্রে কেরোসিন তেল। ন্যাড়াপোড়ার আগুনই কি গ্রাস করবে তার জীবন? কুসুমকে বাঁচাবে কে? দোলে প্রতিহিংসার কালো রং ছায়া ফেলবে ধারাবাহিকে?
সারেগামাপা: সপ্তাহান্তে দু’দিন ধরে গানের প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান। সেখানে রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে লোকগান হয়ে হিন্দি ছায়াছবির গান ‘বালম পিচকারি’ শোনা যাবে! দোলের সব রং গানে গানে ছড়িয়ে পড়বে। সেটে থরে থরে সাজানো আবির-ফাগ। পলাশ ফুলের গয়নায় সেজেছেন প্রতিযোগীরাও।
বৃন্দাবন বিলাসিনী: রুক্মিণী দোলের আগের দিন পালিয়ে যায়। বাকিরা বুঝতে পারে, দোষী সে-ই। দোলের দিন মোহিনী অতিথিদের জন্য দোল নিষিদ্ধ করে। শেষে কৃষের অনুরোধে বাড়ির পেছনে ভেষজ আবির খেলার অনুমতি দেয়। বিনু রাধা-কৃষ্ণের পুজো করে দোল শুরু করে। বিধবা কনককে দোলখেলায় যোগ দিতে বলে তর্কে জড়ায় মোহিনীর সঙ্গে। এবং কাশীর বৃন্দাবন ভবনের নিয়ম পরিবর্তনের যুক্তি দিয়ে জিতে যায় সে। তার পর?
লক্ষ্মী ঝাঁপি: দীপ আর ঝাঁপির মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ। অভিমানে ঝাঁপি দূরে সরে যাবে বলে ঠিক করে। অথচ দোলের সকালে তার হাত থেকেই রং মাখার অপেক্ষায় দীপ! প্রেমের রং কি মিলিয়ে দেবে তাদের?