PCOS problem

পিসিওএস থেকে বাঁচতে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কোন তিন অভ্যাস বদলাবেন?

কর্মরত মহিলারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না তাঁদের দৈনন্দিন কিছু রাত্রিকালীন অভ্যাসের জন্য। যা তাঁরা অজান্তেই করে ফেলেন। আর ওই সমস্ত অভ্যাস হরমোনের ভারসাম্যকে সরাসরি প্রভাবিত করে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ২১:১০

ছবি : শাটারস্টক।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মহিলাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তবে কর্মরত মহিলারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না তাঁদের দৈনন্দিন কিছু রাত্রিকালীন অভ্যাসের জন্য। যা তাঁরা অজান্তেই করে ফেলেন। আর ওই সমস্ত অভ্যাস হরমোনের ভারসাম্যকে সরাসরি প্রভাবিত করে। তাই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে নীচের এই ৩টি অভ্যাস বদল করে দেখুন। কে বলতে পারে, তাতে হয়তো পিসিওএস-এর লক্ষণগুলি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।

Advertisement

১. স্ক্রিন টাইম

ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি দেখা বন্ধ করুন। ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্লু লাইট শরীরে মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে বাধা দেয়। মেলাটোনিন কমলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, যা কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন বাড়িয়ে দেয়। পিসিওএস আক্রান্তদের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম হরমোন ভারসাম্যের মূল চাবিকাঠি।

২. দেরিতে বা ভারী খাবার

রাতে ঘুমানোর ঠিক আগেই ভারী খাবার বা চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। পিসিওএস-এ আক্রান্তদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সমস্যা থাকে। রাতে দেরি করে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায় এবং মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে হালকা এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ রাতের খাবার সেরে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

৩. অনিয়মিত ঘুমের সময়

প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস শরীরের ‘ সার্কাডিয়ান রিদম’ বা অভ্যন্তরীণ ঘড়িকে নষ্ট করে দেয়। পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা খুব জরুরি। পর্যাপ্ত গভীর ঘুম না হলে ইনসুলিন হরমোন ঠিকমতো কাজ করতে পারে না, যা ওজন বৃদ্ধি ও পিরিয়ডের সমস্যায় প্রভাব ফেলে।

টিপস: রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ ক্যাফেইন-মুক্ত 'ক্যামোমাইল টি' বা 'পুদিনা চা' খেতে পারেন, যা মন শান্ত রাখতে এবং ভালো ঘুমে সাহায্য করবে।

Advertisement
আরও পড়ুন