Uncommon Dehydration Sign

গলা শুকনো বা ঠোঁট খসখসে হয়ে যাওয়া নয়, শরীরে জলাভাব হলে আরও ৫ সঙ্কেত দেয় শরীর

সাধারণ গলা শুকিয়ে যাওয়া বা ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া নয়, এ ছাড়াও শরীর কিছু অদ্ভুত সঙ্কেত দেয়, যা সচরাচর ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ বলে ভাবা হয় না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ ২০:৫৫

ছবি: সংগৃহীত।

সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত জল পানের বিকল্প নেই— এ কথা সবাই অল্পবিস্তর জানেন। কিন্তু কর্মব্যস্ততায় অনেক সময় জল খেতে ভুলে যান অনেকেই। টনক নড়ে শরীরে কিছু অন্যরকম অস্বস্তি হওয়ার পরে। সাধারণ গলা শুকিয়ে যাওয়া বা ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া নয়, এ ছাড়াও শরীর কিছু অদ্ভুত সঙ্কেত দেয়, যা সচরাচর ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ বলে ভাবা হয় না।

Advertisement

১. হঠাৎ মিষ্টি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা

শুনে অবাক লাগলেও, শরীরে জলের অভাব হলে হঠাত মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগতে পারে। যখন শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকে না, তখন লিভারের পক্ষে গ্লাইকোজেন (শক্তির উৎস) মুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে শরীর দ্রুত শক্তির জন্য চিনির খোঁজ করে। তাই অকারণে মিষ্টি খাওয়ার ক্রেভিং হলে আগে এক গ্লাস জল খেয়ে দেখুন।

২. নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

লালা বা স্যালাইভাতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ থাকে। শরীরে জলের অভাব হলে লালা উৎপাদন কমে যায়। ফলে মুখে ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তার ঘটে এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ তৈরি হয়। ব্রাশ করার পরেও যদি হঠাত মুখে দুর্গন্ধ অনুভব করেন, তবে সেটি ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ হতে পারে।

৩. ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমে যাওয়া

ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়া মানেই যে শুধু ক্রিমের অভাব, তা নয়। আপনার ত্বক কতটা সতেজ তা বুঝতে একটি ছোট্ট পরীক্ষা করতে পারেন। হাতের উল্টো পিঠের চামড়া আঙুল দিয়ে চিমটি কেটে সামান্য উপরে টেনে ধরুন এবং ছেড়ে দিন। যদি চামড়া তৎক্ষণাৎ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না গিয়ে কয়েক সেকেন্ড সময় নেয়, তবে বুঝবেন আপনার শরীরে মারাত্মক জলের অভাব রয়েছে।

৪. ঘন ঘন মাথাব্যথা বা ঝিমঝিম ভাব

মস্তিষ্কের চারপাশ ঘিরে থাকা তরল বা ফ্লুইডের পরিমাণ কমে গেলে মস্তিষ্ক খুলির গায়ে সামান্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে মাইগ্রেনের মতো তীব্র মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দেয়। পর্যাপ্ত জল খেলে এই তরলের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়, যা মাথাব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৫. প্রস্রাবের গাঢ় রং ও পরিমাণ কমে যাওয়া

শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকলে প্রস্রাব হবে খড়ের মতো হালকা হলুদ বা জলের মতো স্বচ্ছ। কিন্তু যদি দেখেন প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ বা অ্যাম্বার (Amber) বর্ণের হয়ে গেছে, তবে এটি নিশ্চিত সঙ্কেত যে আপনার কিডনি শরীর থেকে টক্সিন বের করার জন্য যথেষ্ট জল পাচ্ছে না। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্রাবের বেগ না আসাও ডিহাইড্রেশনের বড় লক্ষণ।

Advertisement
আরও পড়ুন