Mental stress

মন খারাপের মেঘ কাটিয়ে ওঠার পাঁচ উপায়, যখন কিছুই ভাল লাগছে না, তখন কী করবেন?

মন খারাপ থাকলে কোনও বড় পরিবর্তনের কথা ভাবার বদলে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ছোট ছোট অভ্যাসে মন দিন। তাতে ফল আরও ভাল হতে পারে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ২০:৩৯

—ফাইল চিত্র।

মন খারাপ ভাল করার জন্য সব সময় বড় কিছু বদল আনতে হবে, তা কিন্তু নয়। মাঝেমধ্যে খুব সাধারণ অভ্যাস বদলালেও মস্তিষ্কের রসায়ন বদলে যেতে পারে। তাই মন খারাপ থাকলে কোনও বড় পরিবর্তনের কথা ভাবার বদলে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ছোট ছোট অভ্যাসে মন দিন। তাতে ফল আরও ভাল হতে পারে।

Advertisement

১. ‘ডিজিটাল’ সানরাইজ এবং সানসেট

সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম এক ঘণ্টা এবং রাতে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে ফোন সম্পূর্ণ দূরে রাখুন। সকালে ফোনের ব্লু লাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া নানা ধরনের ছবি, তথ্য, ভাবনা-চিন্তা, ঘটনাবলী মস্তিষ্ককে শুরুতেই ‘স্ট্রেস মোডে’ পাঠিয়ে দেয়। এর বদলে জানলার পাশে বসুন বা খোলা আকাশ দেখুন। প্রাকৃতিক আলো আপনার দেহঘড়ির ছন্দ ঠিক রাখতে এবং মন মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে ভাল কাজ করবে।

২. সৃজনশীল কাজ

যখন মন খুব খারাপ থাকে, তখন সাধারণত স্ক্রল করে বা মুভি দেখেই সময় কাটান বেশির ভাগ মানুষ, যা সাময়িক আনন্দ দিলেও পরে ক্লান্তি বাড়িয়ে দেয়। এর বদলে এমন কিছু করুন যার থেকে কোনও ভাল ফলাফল হাতে আসে। যেমন: মাটির জিনিস তৈরির কাজ বা বাগান করা, নতুন কিছু রান্না করা, ডায়েরি লেখা। মনস্তত্ত্ব বলে হাত ব্যবহার করে কোনও কাজ করলে তা মস্তিষ্কে সরাসরি প্রশান্তি অনুভূতি দেয়।

৩. ঠান্ডা জল

মন খারাপে ঠান্ডা জলের ঝাপটা বা স্নান ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি আপনার শরীরের সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে এবং শরীরে এন্ডোরফিন ও ডোপামিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি তাৎক্ষণিকভাবে মনকে বর্তমানে ফিরিয়ে আনে।

৪. হাঁটা

এক জায়গায় বসে ধ্যান করতে না পারলে ‘মাইন্ডফুল ওয়াকিং’ করার চেষ্টা করুন। কোনও হেডফোন বা গান ছাড়া ১৫ মিনিট হাঁটুন। হাঁটার সময় রাস্তার ধারের গাছের পাতা, বাতাসের শব্দ বা নিজের পায়ের পাতার চলন অনুভব করুন। এই অভ্যাস আপনার অবিন্যস্ত চিন্তাকে গুছিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

৫. পরোপকার

বিষণ্ণতা থেকে মনযোগ সরানোর সেরা উপায় হল, অন্য কারও মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা। রাস্তার কোনও প্রাণীকে খাবার দিতে পারেন বা অনেকদিন কথা না হওয়া কোনও বন্ধুকে ফোন করতে পারেন। অন্যকে সাহায্য করলে মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয়, যা একাকীত্ব কাটাতে এবং নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

Advertisement
আরও পড়ুন