মুসুর ডাল না কি কাবলি ছোলা, পুষ্টিগুণে এগিয়ে কে? ছবি: সংগৃহীত।
বাঙালি হেঁশেলে ভাতের পাতে পাতলা মুসুর ডাল নিত্য সঙ্গী। আবার রুটি-পরোটার সঙ্গে বেশ জমে কাবলি ছোলার ঘুগনি কিংবা চানামশলা। মুসুর ডাল হোক বা কাবলি ছোলা— দু’টিতেই মেলে ফাইবার, পাওয়া যায় প্রোটিনও। কিন্তু পুষ্টিগুণে এগিয়ে কে? প্রোটিন-ফাইবারের মাত্রায় কে টেক্কা দেয় কাকে?
এক কাপ রান্না করা মুসুর ডালে ফাইবার মেলে ১৫.৬ গ্রাম, কাবলি ছোলায় ১২.৫ গ্রাম। তবে যদি ১০০ গ্রামের হিসাব ধরা হয়, তা হলে মুসুর ডাল এবং কাবলি ছোলায় ফাইবারের তফাত হয় মাত্র ০.৩ গ্রামের। একটু হলেও মুসুর ডালে ফাইবারের মাত্রা বেশি। যদিও সে ভাবে দেখলে তফাত খুবই কম। তবে ফাইবারের চাহিদা পূরণে মুসুর ডাল বা কাবলি ছোলা দুটোই বেছে নেওয়া যেতে পারে।
ফাইবারের মতো প্রোটিনের মাত্রাতেও মুসুর ডাল এবং কাবলি ছোলায় তফাত থাকলেও তা সামান্যই। ১০০ গ্রাম রান্না করা মুসুর ডালে প্রোটিনের মাত্রা ৯.০২ গ্রাম এবং কাবলি ছোলায় ৮.৮৬ গ্রাম। পেশি সবল করা থেকে দৈহিক শক্তির অন্যতম উৎসই হল প্রোটিন। কোষের পুনরুজ্জীবনের জন্যও প্রোটিনের দরকার হয়। তবে যদি শুধুই উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উপর নির্ভর করতে হয় তা হলে মুসুর ডাল বা কাবলি ছোলা যথেষ্ট নয়, এর সঙ্গে জুড়তে হবে বিভিন্ন রকম বাদাম, বীজ এবং দানাশস্যও।
আর কোন পুষ্টিগুণ রয়েছে
ফাইবার এবং প্রোটিন ছাড়াও কাবলি ছোলা, মুসুর ডালে মেলে নানা রকম ভিটামিন এবং খনিজ। এক কাপ রান্না করা মুসুর ডালে একজন প্রাপ্ত বয়স্কের দৈনন্দিন প্রয়োজনের ৩৭ শতাংশ আয়রন মেলে।কাবলি ছোলায় মেলে ২৬ শতাংশ।