স্বাস্থ্যকর চিলা কি স্বাস্থ্যকর নয়? ছবি: সংগৃহীত।
বেসন দিয়ে তৈরি পাতলা চিলা— প্রাতরাশে খাওয়া হয় নানা রাজ্যেই। অল্প তেলে তৈরি বেসনের চিলায় রয়েছে প্রোটিন। এই খাবার স্বাস্থ্যকরও। অন্তত তেমনটাই জানেন সকলে। অথচ প্রাতরাশে বেসনের চিলাকে মোটেই উপযুক্ত খাবারের তালিকায় ফেলছেন না মুম্বইয়ের তারকাদের ফিটনেস প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিংহ।
বলিউড অভিনেত্রী তমন্না ভাটিয়া-সহ বহু তারকাই তাঁর পরামর্শ মেনে শরীরচর্চা করেন। মুম্বইয়ে তিনি ফিটনেস জগতে জনপ্রিয় মুখ। তাঁরই তালিকায় বেসন চিলা প্রাতরাশ হিসাবে ডাহা ফেল!
সিদ্ধার্থ জানাচ্ছেন, বেসন চিলাকে 'অস্বাস্থ্যকর' বলা চলে না ঠিকই, তবে এই খাবার যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিনের জোগানও দিতে পারে না। তা সত্ত্বেও যদি এটি তালিকায় রাখতে হয়, বদলে দেওয়া দরকার উপকরণ। সিদ্ধার্থের পরামর্শ, বেসনের চিলার মিশ্রণ তৈরির সময় ১ বা ২ টেবিল চামচ প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে নিতে পারেন। চিলা রান্না করতে হবে যতটা সম্ভব কম তেলে, আঁচ কমিয়ে। চিলার সঙ্গে ১০০-২০০ গ্রাম টক দই খেতে পারেন। টক দইয়ে মেলে প্রোবায়োটিক এবং প্রোটিন যা, চিলার সঙ্গে খেলে প্রোটিনের ঘাটতি মিটতে পারে।
এ ছাড়াও চিলায় পছন্দের সব্জি কুচিয়ে মিশিয়ে নিন। এতে বাড়তি ভিটামিন, খনিজ পাবে শরীর। বাড়বে ফাইবারের মাত্রাও।
সিদ্ধার্থের কথায়, শরীরচর্চা করলে, সুঠাম পেশি পেতে হলে প্রোটিনের মাত্রা ঠিক থাকা দরকার। প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে নিলে এবং টক দই দিয়ে খেলে সেই চাহিদা পূরণ হওয়া সম্ভব। তাঁর কথায়, সাধারণ বেসন চিলা অস্বাস্থ্যকর নয় বটে, কিন্তু তা খেলে পেট ভরাও সম্ভব নয়। কিন্তু বেসন চিলা প্রোটিন পাউডার দিয়ে বানালে এবং ইয়োগার্ট বা টক দই দিয়ে খেলে— তা পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে। এতে বেশ কয়েক ঘণ্টা পেট ভরা থাকবে। বার বার খিদে পাওয়া মানেই অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।