Bay Leaf for Gut

তেজপাতা কি শুধুই সুগন্ধ ছড়ায়? পেট ভাল রাখার পাশাপাশি, আরও নানা উপকার রয়েছে এই ফোড়নের

মূলত সুগন্ধের জন্য ব্যবহার করা হলেও, তেজপাতার স্বাস্থ্যগুণও কিছু কম নয়। পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে পেটের সমস্যা দূর করতে এটি দারুণ কার্যকর। এ ছাড়াও আরও নানা উপকারিতা আছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ২০:৫১

ছবি: সংগৃহীত।

ফোড়নে তেজপাতা দিয়ে অনেক রান্নাই হয় বাঙালি রান্নাঘরে। এমনকি, পায়েশেও সুগন্ধ বৃদ্ধির জন্য তেজপাতা দেওয়া হয়। মূলত সুগন্ধের জন্য ব্যবহার করা হলেও, তেজপাতার স্বাস্থ্যগুণও কিছু কম নয়। পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে পেটের সমস্যা দূর করতে এটি দারুণ কার্যকর। এ ছাড়াও এর আরও নানা উপকারিতা আছে।

Advertisement

পেট কী ভাবে ভাল রাখে তেজপাতা

১। তেজপাতা অন্ত্রের বন্ধুর মতো কাজ করে। এতে থাকা এনজাইম প্রোটিন ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে হজমে সুবিধা হয়।

২। গ্যাস হওয়া বা পেট ফাঁপা ভাব কমাতেও তেজপাতা কার্যকর।

৩। পেটে অস্বস্তি বা বমি বমি ভাব হলে তেজপাতা সেদ্ধ জল খেলে আরাম পাওয়া যায়।

৪। শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে, যা পরোক্ষে লিভার এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

অন্যান্য উপকারিতা

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: গবেষণায় দেখা গেছে, তেজপাতা রক্তে শর্করার মাত্রা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে রক্তে গ্লুকোজ বাড়তে দেয় না।

হার্টের যত্ন: এতে থাকা ‘ক্যাফেইক অ্যাসিড’ হার্টের দেওয়ালকে শক্তিশালী করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

মানসিক চাপ কমায়: তেজপাতার সুগন্ধ মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। এটি উদ্বেগ বা স্ট্রেস কমাতে কার্যকর।

ঠান্ডা লাগার সমস্যায়: সর্দি-কাশি বা ফ্লুর সমস্যায় তেজপাতা সেদ্ধ জল বা চা পান করলে বুকের কফ পরিষ্কার হয় এবং গলার অস্বস্তি কমে।

সংক্রমণ ঠেকাতে: তেজপাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান থাকে, যা ত্বকের সংক্রমণ বা ছোটখাটো ক্ষত সারাতে সাহায্য করতে পারে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

রান্নায় ব্যবহার করলে লাভ হয় না তা নয়। তবে আরও বেশি উপকার পেতে ২-৩টি শুকনো তেজপাতা জলে দিয়ে ফুটিয়ে নিন, তারপর সেই জল ছেঁকে সামান্য মধু বা লেবুর রস মিশিয়ে চায়ের মতো পান করুন। এটি হজমের সমস্যায় তো বটেই হার্ট এবং ডায়াবিটিসের সমস্যাতেও উপকারী। তবে গর্ভাবস্থায় বা কোনও অস্ত্রোপচারের আগে তেজপাতার অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলাই ভালো।

Advertisement
আরও পড়ুন