ছবি: সংগৃহীত।
দিনের শুরুতে এক কাপ কফি মন চনমনে করে তোলে ঠিকই, কিন্তু অতিরিক্ত ক্যাফিন আসক্তি শরীর ও মনের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কফিতে লাগাম টানা কেন জরুরি, তা বুঝবেন, যখন অনিদ্রা, বুক ধড়ফড় করা কিংবা দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে শুরু করবে। কিন্তু তাতে দেরি না হয়ে যায়!
হঠাৎ করে কফি ছেড়ে দেওয়া বেশ কঠিন, এক্ষেত্রে কিছুটা কৌশলী হতে হবে, তা হলেই আসক্তি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
১. পর্যাপ্ত জল পান করুন
অনেক সময় শরীরে জলের অভাব বা ডিহাইড্রেশন হলে আমরা ক্লান্ত বোধ করি এবং সেই ক্লান্তি দূর করতে কফির আশ্রয় নিই। যখনই কফি খেতে ইচ্ছে করবে, তার বদলে এক গ্লাস জল খেয়ে নিন। এটি শরীরকে আর্দ্র রাখবে এবং কফির তৃষ্ণা অনেকটা কমিয়ে দেবে।
২. কফির বদলে ‘হার্বাল টি’ বেছে নিন
কফি খাওয়ার অভ্যাস মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার। কাপে চুমুক দেওয়ার সেই অনুভূতি ধরে রাখতে কফির বিকল্প হিসেবে গ্রিন টি, আদা চা বা পিপারমিন্ট চা পান করতে পারেন। এতে ক্যাফিনের পরিমাণ অনেক কম থাকে এবং এগুলো শরীরের টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে।
৩. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান
খালি পেটে কফি খাওয়ার প্রবণতা আসক্তি আরও বাড়িয়ে দেয়। রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গেলে শরীর দ্রুত শক্তির জন্য ক্যাফিন খোঁজে। সকালে ও বিকেলের জল খাবারে ডিম, বাদাম বা দইয়ের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। এতে শরীরে শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে এবং ঘন ঘন কফি খাওয়ার ইচ্ছে জাগবে না।
৪. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন
কফি খাওয়ার প্রধান কারণ হলো ঘুম ঘুম ভাব কাটানো। আপনি যদি রাতে পর্যাপ্ত (৭-৮ ঘণ্টা) ঘুমান, তবে দিনের বেলা শরীর সতেজ থাকবে এবং বাড়তি উদ্দীপনার জন্য কফির প্রয়োজন পড়বে না। ক্লান্তিকে কফি দিয়ে না ঢেকে বিশ্রাম দিয়ে দূর করার চেষ্টা করুন।
৫. ধীরে ধীরে পরিমাণ কমান
একবারে কফি খাওয়া বন্ধ করে দিলে মাথাব্যথা বা খিটখিটে মেজাজ হতে পারে। তাই ধীরে ধীরে অভ্যাস পরিবর্তন করুন।