Dakota Johnson Fitness

শরীরে যেন শিল্পীর তুলির টান! নতুন ছবিতে ডাকোটার তন্বী চেহারার রহস্য প্রকাশ্যে

অন্তর্বাস ও ডেনিমের বিজ্ঞাপনের জন্য তোলা ডাকোটা জনসনের ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। তার পরই প্রশ্ন ওঠে, কী ভাবে এত ফিট ও ছিপছিপে থাকেন হলিউড নায়িকা?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৮
হলিউড নায়িকা ডাকোটা জনসন।

হলিউড নায়িকা ডাকোটা জনসন। ছবি: সংগৃহীত।

ফ্রেমবন্দি হয়েছেন ডাকোটা জনসন। সিনেমা হোক বা বিজ্ঞাপন, অথবা নিছক ছবি, তাঁর দিক থেকে চোখ ফেরানো বেশ কঠিন। কিন্তু ডাকোটাকেও সুন্দল থাকার জন্য কসরত করতে হয়। খাওয়াদাওয়া দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার পাশাপাশি শরীরচর্চাও করেন তিনি। তবেই না এমন ছিপছিপে ও তন্বী চেহারার অধিকারী হলিউড নায়িকা!

Advertisement
নায়িকার সুঠাম, মেদহীন চেহারার রহস্য কী?

নায়িকার সুঠাম, মেদহীন চেহারার রহস্য কী? ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি একটি সংস্থার জন্য বিজ্ঞাপনের শুট করেছেন ডাকোটা। সমাজমাধ্যমে হইচই পড়ে গিয়েছে তাঁর ছবির সম্ভার দেখে। অন্তর্বাস ও ডেনিমের বিজ্ঞাপনের জন্য ছবি তুলতে হয়েছে ডাকোটাকে। আর সেখানেই স্পষ্ট হয়েছে, নায়িকার সুঠাম, মেদহীন চেহারা। তাঁর শরীরের ভাঁজে যেন শিল্পীর তুলির টান। তাই প্রশ্ন উঠছে, ৩৬ বছরের নায়িকা কী ভাবে এমন ফিট রাখেন নিজেকে? কোন উপায়ে এমন তন্বী তিনি? আচমকা বা জাদুকাঠির ছোঁয়া নয়, বরং নিয়মিত অনুশীলন, পরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাস আর শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপনই এর নেপথ্য কাহিনি। ’৫০ শেড্‌স অফ গ্রে’ ছবি খ্যাত অভিনেত্রী ডাকোটার সাম্প্রতিক ছবিগুলি ঠিক তেমনই এক পরিশ্রমের ফল। প্রকাশ করলেন তাঁর ফিটনেস প্রশিক্ষক মেগান রোউপ।

জনপ্রিয় সংস্থার বিজ্ঞাপনের জন্য ডাকোটাকে বিশেষ ভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল। এই প্রস্তুতির মূলে ছিল শক্তিবৃদ্ধি এবং শরীরকে টোন করা। অর্থাৎ শুধু ওজন কমানো নয়, বরং পেশিকে চর্বিহীন, দৃঢ় ও সুগঠিত করে তোলা। মেগান একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা কঠোর পরিশ্রম করতে হবে না জিমে গিয়ে। তার চেয়ে বরং নিয়মানুবর্তিতা, সঠিক পরিকল্পনা এবং শরীরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সক্রিয় থাকা উচিত। আমি আর ডাকোটা তা-ই করেছি।’’

এই লক্ষ্য পূরণে ডাকোটার রুটিনে ছিল লাঞ্জেস, প্ল্যাঙ্কস, ব্রিজেস, স্কোয়াট্‌স, গ্লুটের ব্যায়াম, পিলাটিজ় বল ইত্যাদি। এগুলিতে কোর পেশি মজবুত হয়। তাঁর অনুশীলন শুধু জিমেই সীমাবদ্ধ ছিল না। পুরো শরীরকে সক্রিয় রাখতে বিভিন্ন ধরনের মুভমেন্ট ও ফাংশনাল ট্রেনিংও করা হত। এতে শরীর আরও নমনীয় হয় এবং রোজের কাজেও ফিটনেসের প্রভাব দেখা যায়।

শুটের আগে খুব বেশি সময় পাননি ডাকোটা। তাই সপ্তাহে ৪-৬ বার অনুশীলন করতে হত তাঁদের। কিন্তু ৪৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে ব্যায়াম করতেন না তিনি। বিশ্রাম নেওয়াটা যেন বেশি জরুরি ছিল। মেগান জানান, খানিক ক্ষণের জন্য কার্ডিয়ো করিয়ে হৃৎস্পন্দন বাড়িয়ে আবার কমিয়ে ফেলার পক্ষপাতী তিনি। বেশি ক্ষণ কার্ডিয়ো করে হৃৎস্পন্দন বাড়িয়ে রাখলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে বলে মত প্রশিক্ষকের।

Advertisement
আরও পড়ুন