চা নয় প্রদাহ সারানোর কোন উপায় বলছেন চিকিৎসক।
প্রদাহ কখনও রক্ষাকবচ, কখনও বিপজ্জনক।শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হল প্রদাহ। শরীরে আঘাত লাগলে, শরীর নিজে থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থ গড়ে তোলে। সেই জায়গার ব্যথা বা কষ্টের উপশমে শরীর নিজেই প্রাথমিক ভাবে সক্রিয় হয়।
কিন্তু প্রদাহ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখনই তা বিপদ ডেকে আনে। এর স্থায়িত্ব যত বাড়ে, ততই সুস্থ শরীর অসুস্থ হয়।দীর্ঘ প্রদাহের ফলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়।প্রদাহ কমাতে সমাজমাধ্যমে নানা রকম টোটকা মেলে। তার মধ্যে আছে ভেষজ চা-ও। তবে রায়পুরের এক ক্যানসার চিকিৎসক জয়েশ শর্মা বলছেন, ভেষজ চা নয়, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করবে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস।
· স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক। বাদ দেওয়া দরকার বাইরের খাবার এবং ভাজাভুজি। মাঝেমধ্যে সে সব খাওয়া যেতে পারে, তবে রোজ নয়।খাদ্যাভ্যাসের বদলেই প্রদাহ বশে রাখা সম্ভব।
· প্রদাহনাশের জরুরি উপাদান ফাইবার। খাবারে ফাইবারের মাত্রা ঠিক থাকলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে, ঠেকানো যাবে প্রদাহ।
· বাদ দিতে হবে প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড। বার্গার, পিৎজ়া, হিমায়িত খাবার কোনওটাই নিয়মিত খাওয়া ভাল নয়।
· চিকিৎসক সতর্ক করছেন, পোড়া তেল ব্যবহার না করতে। একই তেলে বার বার রান্না হলে প্রদাহের ঝুঁকি বাড়ে। তা অস্বাস্থ্যকরও।
· প্রদাহনাশক খাবারের তালিকায় রাখতে হবে টাটকা ফলমূল, শাকসব্জি, সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, বীজ, বাদাম। হালকা ব্যায়ামও প্রদাহ কমিয়ে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।