Parenting Tips

সর্দি-কাশির সময় দই খেলে কি সমস্যা বাড়ে? শিশুকে দই খাওয়ানোর আগে জেনে নিন খুঁটিনাটি

খুদের ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশি শুরু হলেই তাদের দই খাওয়া বন্ধ করে দেন অনেক মা-বাবাই। দই খেলে ঠান্ডা লাগা আরও বাড়বে, এই ধারণা কতটা ঠিক?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:২৪
শীতের মরসুমে শিশুকে দই খাওয়ানো কি স্বাস্থ্যকর?

শীতের মরসুমে শিশুকে দই খাওয়ানো কি স্বাস্থ্যকর? ছবি: এআই।

অনেক শিশুই দই খেতে বেশ পছন্দ করে। অন্যান্য খাবার দেখে দৌড়ে পালালেও দই কিন্তু চেটেপুটে খেয়ে নেয়। তবে খুদের ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশি শুরু হলেই তাদের দই খাওয়া বন্ধ করে দেন অনেক মা-বাবাই। অনেকেরই ধারণা, ঠান্ডা লাগার মধ্যে দই খেলে আরও বাড়াবাড়ি হতে পারে। তবে পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, দই খেলে ঠান্ডা লাগবে, এই ধারণা একেবারেই ভ্রান্ত। কারণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে টক দইয়ের কোনও বিকল্প নেই।

Advertisement

চিকিৎসক শুভম সাহার মতে, জ্বর, সর্দি-কাশি মূলত হয় কোনও ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়ার কারণে। জ্বর, সর্দি-কাশি হলে রোগের সঙ্গে লড়তে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা জরুরি। প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে তুলতে যে খাবারগুলি সাহায্য করে, টক দই তার মধ্যে অন্যতম। তাই সর্দি-কাশি থেকে দ্রুত সেরে উঠতে ভরসা রাখতে পারেন দইয়ের উপর। দই খেলে ক্ষতি তো হবেই না, বরং উল্টে তাড়াতাড়ি সেরে উঠবেন।

শীতকালেও শিশুকে টক দই খাওয়াবেন কি না, তাই নিয়ে দ্বন্দ্বে থাকেন অভিভাবকেরা। দইয়ে প্রোবায়োটিক উপাদান ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম থাকে। শীতকালে হাড় ভাল রাখতে দই খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্যালশিয়াম সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান। এ ছাড়া অম্বল, পেট ফাঁপা, গ্যাসের মতো সমস্যা দূর করতেও টক দইয়ের ক্ষমতা অপরিসীম। এ ছাড়া, দইয়ে রয়েছে ভিটামিন বি ১২ এবং ফসফরাস। শরীরের অন্দরে ঘটে চলা আরও অনেক সমস্যার নিমেষে সমাধান করে টক দই।

শীতকালে দই খাওয়ার সঙ্গে ঠান্ডা লাগার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং দই খেলে শরীর সুস্থ থাকবে। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, শীতকালেও মেপে টক দই খাওয়া যেতে পারে। সবচেয়ে ভাল হয়, যদি বিকেল ৫টার মধ্যে দই খাওয়া যায়। ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে আলাদা কথা। সে ক্ষেত্রে সন্ধ্যার পর দই এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। তবে ঠান্ডা যে লাগবেই, তার কোনও স্থিরতা নেই। তবে আগে থেকে সতর্ক থাকা জরুরি। বিশেষ করে শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে সচেতন থাকাই ভাল।

Advertisement
আরও পড়ুন