Weight Loss Tips

স্ত্রী ঘুমোতে যান পাশের ঘরে, সংসারের হারানো সুখ ফেরাতে ১৩ কেজি ওজন ঝরালেন যুবক

মালয়েশিয়াবাসী তিমোতি তিয়া ওজন কমিয়েছেন কেবল মাত্র তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘুমোনোর জন্য। তিমোতি জানিয়েছেন, বুফে খেয়ে খেয়েই তাঁর ওজন এতটা বেড়ে গিয়েছিল। আর ওজন বেড়ে যাওয়ার পর তিনি নতুন যে দক্ষতায় পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন তা হল, নাক ডাকা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:০৫
স্ত্রীর সঙ্গে শোবেন বলেই ওজন ঝরিয়েছেন যুবক।

স্ত্রীর সঙ্গে শোবেন বলেই ওজন ঝরিয়েছেন যুবক। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

কেউ সুন্দর দেখানোর জন্য ওজন কমাতে চাইছেন, কেউ আবার ক্রনিক অসুখের হাত থেকে রেহাই পেতে জিমে ভর্তি হচ্ছেন। মালয়েশিয়াবাসী তিমোতি তিয়া ওজন কমিয়েছেন কেবল মাত্র তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘুমোনোর জন্য।

Advertisement

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করে তিমোতি জানিয়েছেন, স্ত্রীয়ের অনুপ্রেরণাতেই তিনি ওজন কমাতে সফল হয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘‘আমি অ্যাব্স দেখানোর জন্য ওজন ঝরাইনি, আমি রোগা হয়েছি, কারণ স্ত্রী আর আমার পাশে ঘুমোতে চাইছিল না।’’ ৭৮ কেজি থেকে বহু কষ্টে ৬৫ কেজিতে এসেছেন তিমোতি। তিনি আরও খানিকটা ওজন কমাতে চাইছেন এখনও।

তিমোতি জানিয়েছেন, বুফে খেয়ে খেয়েই তাঁর ওজন এতটা বেড়ে গিয়েছিল। আর ওজন বেড়ে যাওয়ার পর তিনি নতুন যে দক্ষতায় পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন তা হল, নাক ডাকা। তিমোতি লেখেন, ‘‘আমার নাক ডাকার ঠেলায় আমার স্ত্রীর ‘স্লিপ অ্যাংজ়াইটি’র সমস্যা শুরু হয়। ও আমায় একা রেখে অন্য ঘরে ঘুমোতে চলে যেত। এই আচরণে আমি খুব ভেঙে পড়ি। নাক ডাকার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে আমি ‘মাউথ টেপিং’, ইএনটি নোজ় স্প্রেও ব্যবহার করি, তবে খুব বেশি উপকার পাইনি। শেষে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জানতে পারলাম, আমার স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা রয়েছে। আর এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পেতে হলে ওজন কমাতে হবে আর সিপ্যাপ মেশিন ব্যবহার করতে হবে।’’

ওজন কমানোর পর সুখ ফিরে এসেছে তিমোতির জীবনে। ১৩ কেজি ওজন ঝরানোর পর তিমোতি লেখেন, ‘‘নাক ডাকার তীব্রতা কমে গিয়েছে অনেকটাই। সব থেকে বড় বিষয় হল, আমার স্ত্রী এখন আমার পাশেই ঘুমোচ্ছে। ১০ বছরে এই প্রথম আমার স্ত্রী আমার শরীরের প্রশংসা করেছে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন