নজর দিন শরীরের উপর। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
কখনও তীব্র গরম পড়ছে, কখনও আবার ঝড়-বৃষ্টি। মরসুম বদলের সময়ে জ্বর, সর্দিকাশি বা পেটের গোলমাল লেগেই থাকে। সেই সঙ্গে নানা জীবাণুবাহিত অসুখবিসুখও হানা দেয়। এই সময়টাতে নানা রকম সংক্রামক রোগ ফিরে আসে। কখনও জ্বর, তো কখনও গলা ব্যথা, শুকনো কাশির পাশাপাশি ডায়ারিয়াও ভোগায়। চিকিৎসকেরা বলছেন, জ্বর বা পেট খারাপ হলে অহেতুক ভয় পাবেন না। মুঠো মুঠো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ালেই বরং বিপদ বাড়বে। এই সময় কী ভাবে চাঙ্গা থাকবে শরীর, কোন নিয়ম মেনে চলবেন, রইল হদিস।
১) সাবান ও জল দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে ঘন ঘন হাত ধোয়ার অভ্যাস করে ফেলুন। যদি আশপাশে জলের ব্যবস্থা না থাকে, তখন হাত এবং খাবারের মাধ্যমে ছড়ানোর জীবাণুর সংক্রমণ রুখতে অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
২) রোজের ডায়েটে লেবু জাতীয় ফল, শাকসব্জি এবং বাদামের মতো পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার যোগ করুন। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখতে এবং জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরকে প্রস্তুত রাখতে ভিটামিন সি এবং ডি অপরিহার্য।
৩) সারা দিন প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক থাকলে গলা আর্দ্র থাকে, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যায়। জল শ্বাসতন্ত্র পরিষ্কার থাকে এবং বায়ুবাহিত জীবাণু দূর করতে সাহায্য করে।
৪) নিজের পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি বাড়িঘরও পরিষ্কার রাখতে হবে। দরজার হাতল, লাইটের সুইচ, ফোন এবং কি-বোর্ডের মতো ঘন ঘন স্পর্শ করা হয় এমন গৃহস্থালির জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করুন। এই অভ্যাস পরিবেশে জীবাণুর টিকে থাকা প্রতিরোধ করে এবং জীবাণুতে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
৫) রোজ সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি। শরীরের পুনরুদ্ধারের জন্য ঘুম অপরিহার্য, যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। রোজ শরীরচর্চাও করতে হবে নিয়ম করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে শরীর সচল রাখাও জরুরি।