Diabetes Control Tips

কাঁচা না পাকা, ডায়াবেটিকরা কোন ধরনের পেঁপে খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, জেনে নিন

এই গরমে বাজারে পেঁপের ছড়াছড়ি। কাঁচা, পাকা সব ধরনের পেঁপেই মিলছে। তবে ডায়াবেটিকরা কি পেঁপে থেকে দূরে থাকবেন না রোজের ডায়েটে পেঁপে রাখবেন, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:০৮
ডায়াবিটিস থাকলে কোন ধরনের পেঁপে খাবেন?

ডায়াবিটিস থাকলে কোন ধরনের পেঁপে খাবেন? ছবি: সংগৃহীত।

একটা বয়সের পরে সুগার ধরা পড়ার ঘটনা আমাদের কাছে পরিচিত। তবে এই চেনা ছবিটা গত কয়েক বছরে বদলে গিয়েছে। ডায়াবিটিসের চোখরাঙানি মানছে না বয়স। আগে মনে করা হত, কম বয়সে টাইপ ওয়ান এবং চল্লিশোর্ধ্বদের টাইপ টু ডায়াবিটিস দেখা যায় সাধারণত। এখন ছোটদের মধ্যেও টাইপ টু ডায়াবিটিস দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যায়। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, স্থূলতা, শরীরচর্চায় অনীহা— এই রোগের বাড়বাড়ন্তের অন্যতম প্রধান কারণ। আর এক বার এই রোগ ধরা পড়লে খাওয়াদাওয়ায় চলে আসে নানা বিধিনিষেধ। এই গরমে বাজারে পেঁপের ছড়াছড়ি। কাঁচা, পাকা সব ধরনের পেঁপেই মিলছে। তবে ডায়াবেটিকরা কি পেঁপে থেকে দূরে থাকবেন না রোজের ডায়েটে পেঁপে রাখবেন, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে।

Advertisement

পেঁপেতে কার্বোহাইড্রেট আর চিনির মাত্রা

কাঁচা পেঁপের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কম, এর কার্বোহাইড্রেটগুলি জটিল এবং আবদ্ধ অবস্থায় থাকে। অর্থাৎ কাঁচা পেপে খেলে রক্তের শর্করার মাত্রা এক লাফে অনেকটা বেড়ে যায় না। পাকা পেঁপের জিআই প্রায় ৫৫-৬০; যদিও এটিকে মাঝারি হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তবে এটি কাঁচা পেঁপের চেয়ে দ্রুত রক্তে প্রবেশ করে। কাঁচা পেঁপে মূলত একটি সব্জি, এতে ফ্রুক্টোজের পরিমাণ নগণ্য। ডায়াবেটিকরা নিয়মিত এই ফল খেতেই পারেন। পাকা পেঁপে পরিপক্ক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এতে প্রাকৃতিক চিনির মাত্রা বাড়তে থাকে। এই চিনি প্রাকৃতিক হলেও বেশি পরিমাণে খেলে তা দৈনিক চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

ফাইবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে

কাঁচা পেপেতে ফাইবারের পরিমাণও পাকা পেঁপের তুলনায় বেশি থাকে। পাকা পেঁপে সহজে হজম হয়ে যায় বটে, তবে এটি খাওয়া মাত্রই রক্তের শর্করার মাত্রা এক লাফে কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

তা হলে কি পাকা পেঁপে ডায়াবেটিকরা একেবারেই খাবেন না?

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পাকা পেঁপে খুব ক্ষতিকর এমনটাও বলা যায় না। এতে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং অল্প পরিমাণে খাওয়াই শ্রেয়। এই ফলের উপকারিতা পেতে হলে এটিকে প্রোটিন আর স্বাস্থ্যকর ফ্যাটজাতীয় খাবারের সঙ্গে খেতে হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন