Unknown Reason behind Mouth Ulcer

মানসিক চাপের কারণে মুখে হতে পারে যন্ত্রণাদায়ক সাদা ফুস্কুড়ি! ‘অ্যাপথাস আলসার’ বিষয়টি ঠিক কী?

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে মুখে ‘অ্যাপথাস আলসার’ বা ছোট ছোট সাদা ফুস্কুড়ি দেখা দিতে পারে। এর সঙ্গে মানসিক চাপের কী যোগ?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৭:৩০
‘অ্যাপথাস আলসার’ বিষয়টি ঠিক কী?

‘অ্যাপথাস আলসার’ বিষয়টি ঠিক কী? ছবি: সংগৃহীত।

মুখে ঘা হলে মুশকিলে পড়তে হয় খাওয়ার বা কথা বলার সময়ে। এই সমস্যা দীর্ঘ দিন উপেক্ষা না করাই ভাল। এই সমস্যা মুখে আলসারের লক্ষণ হতে পারে। মুখের আলসারকে সামান্য ঘা ভেবে অবহেলা করলেই বিপদ। কোষ্ঠকাঠিন্য, হরমোনের সমস্যার কারণে মুখের ভিতরে আলসার হতে পারে। অনেকে আবার ব্রেসেস পড়েন, তাঁদেরও মাঝেমাঝে এই সমস্যা হয়। শরীরে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি, আয়রন, জিঙ্ক, ফোলেটের ঘাটতির কারণেও মুখের আলসার হতে পারে।

Advertisement

মুখের আলসার সাধারণত জিভে, ঠোঁটের ভিতরে আর মাড়িতে হতে পারে। মুখের আলসার কখনও কখনও সংক্রমণের কারণে হয়। সে ক্ষেত্রে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, ভাইরাল ইনফেকশন বা ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশনের কারণে সমস্যা বাড়তে পারে। কখনও আবার কোনও রকম সংক্রমণ ছাড়াই মুখে আলসার হয়। যাঁরা ইনহেলার ব্যবহার করেন তাঁদের এই আলসারের ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। এগুলির বাইরে সবচেয়ে বেশি হয় অ্যাপথাস আলসার। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে মুখে ‘অ্যাপথাস আলসার’ বা ছোট ছোট সাদাটে ফুস্কুড়ি দেখা দিতে পারে। এই ফুস্কুড়ির চারপাশে থাকে লালচে ছোপ। মাঝে মাঝে তীব্র যন্ত্রণা হয়। তাই এমন ফুস্কুড়ি দেখলে সতর্ক হোন। অপরিচ্ছন্নতা বা শরীরে কোনও বিশেষ খনিজের ঘাটতির পাশাপাশি মানসিক চাপের কারণেও মুখে ‘অ্যাপথাস আলসার’ হতে পারে।

মানসিক চাপের সঙ্গে আলসারের সম্পর্ক কী?

যখন কোনও ব্যক্তি মানসিক বা আবেগজনিত চাপের মধ্যে থাকেন, তখন শরীর স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ করে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। এর ফলে মুখের ভিতরের আস্তরণ আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে এবং সেরে উঠতে বেশি সময় লাগে। কাজের চাপ, পরীক্ষা, ঘুমের অভাব হলে মানুষ প্রায়শই লক্ষ্য করেন যে মুখের ঘা আরও ঘন ঘন হচ্ছে বা বেশি দিন স্থায়ী হচ্ছে। মানসিক চাপ সরাসরি মুখে সংক্রমণ ঘটায় না, তবে এটি শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়, যা ঘা তৈরি হওয়ার জন্য উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করে। মানসিক চাপে থাকলে অনেকেই ঠোঁট কামড়াতে, চোয়াল শক্ত করে রাখেন কিংবা দাঁত কিড়মিড় করেন, সেই থেকেও আলসারের ঝুঁকি বাড়ে।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?

যদি ওই ফুস্কুড়ি দেড়-দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় এবং তাতে ব্যথা থাকে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Advertisement
আরও পড়ুন