Low Metabolism

বিপাকহার কমলেই বাড়বে ওজন, ৩০-এর পর থেকেই কী ভাবে সচেতন হবেন জেনে নিন

৩০-এর পরই চেহারা ভারী হতে শুরু করছে? কম খেয়েও এমন হতে পারে বিপাকহার বা মেটাবলিজম কমে গেলে। কী ভাবে তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪২
Struggling with Slow Metabolism After 30? Try These 5 Expert Tips

বিপাকহার কমে গেলে কী করবেন? ছবি: সংগৃহীত।

ছোট্ট থেকে রোগা। ওজন থাকত নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কম। অথচ দেখা যায়, ত্রিশ পার হলেই, চেহারা ভারী হচ্ছে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ভারিক্কি ভাব আসেই। নেপথ্যে নানা কারণই থাকে। তবে একটি কারণ হতে পারে বিপাকহারের গতি কমে যাওয়া।

Advertisement

খুব সহজ ভাবে বলতে গেলে, বেঁচে থাকার জন্য শরীর যে গতিতে ক্যালরি পোড়ায়, তাকেই বিপাকহার বলে। বিপাকহার কমে গেলেই শরীরে জমতে থাকে বাড়তি মেদ। ফলে দেখা যায়, স্বল্প খেয়েও ওজন বাড়ছে।

যোগ প্রশিক্ষক রাধিকা বসু বলছেন, মেটাবলিজম বা বিপাকহার কমে যাওয়ার অর্থ মানে এই নয়, তা বাড়বে না। দৈনন্দিন জীবনযাপনের সঙ্গেই তা ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। সাধারণত, ৩০-এর পর থেকে মাংসপেশি দুর্বল হতে শুরু করে, হরমোনের তারতম্য ঘটে, দু্শ্চিন্তা, উদ্বেগ জুড়ে যায়। যার প্রভাবে বিপাকহার শ্লথ হয়ে যায়।

সমাধান কী ভাবে সম্ভব?

ওজন নিয়ে শরীরচর্চা: ওজন নিয়ে শরীরচর্চা করলে পেশি সবল থাকে, এতে বিপাকহারও বৃদ্ধি পায়। ওজন নিয়ে শরীরচর্চায় ক্যালোরি খরচ হয় অনেক বেশি। মেটাবলিজম বৃদ্ধির এটি অন্যতম উপায়।

প্রোটিন: বিপাকহার বাড়াতে খাবারে প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে হবে। কার্বোহাইড্রেট বা ফ্যাটের চেয়ে প্রোটিন খাবার বেশি খেলে ক্যালোরি খরচ বেশি হয়। এতেও বিপাকহার বাড়ে। তবে বাজারচলতি প্রোটিনবার নয়, প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়াই স্বাস্থ্যকর বলছেন যোগ প্রশিক্ষক।

জল: বিপাকহার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে পর্যাপ্ত জলও। শারীরবৃত্তীয় কাজ সঠিক ভাবে করার জন্য জলের প্রয়োজন। জল বা তরল খাবারের অভাব হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বিপাকহারেও। পরিমাণমতো জল খেলে হজম ভাল হয়, বিপাকহারও বাড়ে।

উদ্বেগ: দুশ্চিন্তা, উদ্বেগের জন্য কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত। উদ্বেগের কারণে বিপাকহার কমে যেতে পারে, হরমোনের ভারসাম্যও এতে নষ্ট হতে পারে। প্রাণায়ামের অভ্যাস মন শান্ত করতে এবং শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে। এতে উদ্বেগ কমে।

খাবার বাদ দেওয়া: অনেক সময় অনেকেই প্রাতরাশ বাদ দেন, কেউ আবার রাতে খান না। খেতে হবে পরিমিত তবে নিয়ম করে। কোনও এক বেলার খাবার বাদ দিলে শরীরের কাছে সঙ্কেত পৌঁছোয় যে আগের খাবার থেকে প্রাপ্ত ক্যালোরি বা শক্তি জমিয়ে রাখতে হবে। তারই প্রভাব পড়ে বিপাকহারে। বিপাকহার কমে যেতে থাকে।

Advertisement
আরও পড়ুন