মেদ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে কোন ৩ খাবার? ছবি: সংগৃহীত।
যত মেদ শুধু পেটেই! কারও গড়ন সুন্দর, কিন্তু মেদ থাকে শুধু পেটেই। কারও আবার ওজন কমলেও, কমতে চায় না ভুঁড়ি। ওজন কমানোর জন্য ডায়েট জরুরি। তবে নির্দিষ্ট অংশে মেদ গলিয়ে সুঠাম শরীর পেতে হলে দরকার সঠিক শরীরচর্চা। তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হল বিপাকহার ঠিক রাখা। কিন্তু খাদ্যতালিকায় বদল এনে, শরীরচর্চা করেও যদি পেটের মেদ না গলে?
বলিউড অভিনেত্রী তমন্না ভাটিয়ার প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিংহ বলছেন, তিন খাবার নিঃশব্দেই ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। অনেকে সময়ে স্বাস্থ্যকর খাবারের মোড়কে আদতে থাকে ওজন বেড়ে যাওয়ার উপাদান। সে কারণেই খাওয়া নিয়ে সতর্ক হওয়া দরকার, পরিমিতি বোধও জরুরি।
বাদামের মাখন: প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে বলেই অনেকে বাদামের মাখন বেছে নেন। টোস্ট থেকে স্মুদিতে তা মিশিয়ে খাওয়া হয়। তবে সিদ্ধার্থের কথায়, পরিমিতি বোধ জরুরি। কারণ, বাদামের মাখনের ক্যালোরি অনেকটাই বেশি। স্বাস্থ্যকর ভেবে অনেকটা পরিমাণে খেয়ে ফেললে, ক্যালোরি বশে রাখা কঠিন হতে পারে। ফলে যখন কেউ ওজন কমাতে চাইছেন, তাঁকে বুঝেশুনে খেতে হবে।
গ্র্যানোলা: নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত দানাশস্য, গ্র্যানোলা স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় ফেলা হয়। তবে শুধু সিদ্ধার্থ নন, এ নিয়ে সতর্ক করছেন পেটের চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদেরাও। গ্র্যানোলায় ক্যালোরির মাত্রা যথেষ্ট। তা ছাড়া স্বাদের জন্য বাজারজাত গ্র্যানোলায় শর্করা মেশানো হয়, শুকনো ড্রাই ফ্রুটসও থাকে। তা থেকে চিনির মাত্রা বাড়তে পারে।
বিয়ার: সপ্তাহে একদিন খেলেও তা থেকে ওজন কমানোর যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে।এই পানীয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। তা ছাড়া বিয়ার বেশি খেলে বিপাকহারের গতিও কমতে পারে, যা ওজন কমার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই ধরনের পানীয় এড়ানোই ভাল।