Vitamin B12 Deficiency

যেন সুচ বিঁধছে পায়ের তলায়! গরমেও ঠান্ডা হয়ে রয়েছে পদযুগল? বিশেষ ঘাটতিতে ধুঁকছে শরীর

এই বিশেষ ভিটামিনের ঘাটতিতে স্নায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পায়ের অনুভূতি কমে যায়। এই ভিটামিনের অভাবে পায়ে সরাসরি পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বা স্নায়ুর ক্ষতিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। কী কী উপসর্গে বুঝবেন?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬ ১৮:৫৮
কোন ভিটামিনের অভাবে শরীরে এমন লক্ষণ দেখা যায়?

কোন ভিটামিনের অভাবে শরীরে এমন লক্ষণ দেখা যায়? ছবি: সংগৃহীত।

গরমের সময়েও ঠান্ডা হয়ে থাকে পা। কখনও সুড়সুড়ির মতো অনুভূতি, কখনও মনে হয় সুচ বিঁধছে পায়ের পাতায়, কখনও আবার অবশ হয়ে যায় পা। অনেক ক্ষণ বসে থাকার ফল, ক্লান্তি অথবা জলশূন্যতা মনে হতে পারে। কিন্তু শরীর ধুঁকছে বিশেষ ভিটামিনের ঘাটতিতে। আর তা হল, ভিটামিন বি ১২।

Advertisement

ভিটামিন বি১২ শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করে। অক্সিজেন চলাচলে সাহায্য করে সারা শরীরে। পাশাপাশি স্নায়ুর সুরক্ষা এবং ডিএনএ তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজেও যোগ দেয়। এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে স্নায়ুর চারপাশের সুরক্ষামূলক আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা, অবশ ভাব বা সুচ ফোটার মতো অনুভূতি দেখা দেয়। এর ঘাটতি হলে ক্ষত শুকোতেও দেরি হয়। তাই ভিটামিন বি ১২-এর অভাবে স্নায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পায়ের অনুভূতি কমে যায়। এই ভিটামিনের অভাবে পায়ে সরাসরি পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বা স্নায়ুর ক্ষতিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। তাই বি ১২-এর ঘাটতির চিহ্ন পায়ে সব থেকে বেশি দেখতে পাওয়া যায়।

ঘাটতি মেটাতে সঠিক খাওয়াদাওয়া দরকার।

ঘাটতি মেটাতে সঠিক খাওয়াদাওয়া দরকার। ছবি: সংগৃহীত

ভিটামিন বি ১২-এর ঘাটতি টের পাবেন কী ভাবে?

· পায়ের পাতায় জ্বালা বা অস্বস্তি

· হাঁটার সময়ে ভারসাম্য রাখতে অসুবিধা হওয়া বা বার বার হোঁচট খাওয়া

· পায়ের ত্বক ফ্যাকাশে বা হালকা হলদেটে হয়ে যাওয়া

· পায়ে অবশ ভাব বা অনুভূতি কমে যাওয়া

· সব সময়ে পা ঠান্ডা হয়ে থাকা

· অক্সিজেন ও পুষ্টির অভাবে পায়ের ক্ষত দ্রুত জটিল আকার ধারণ করতে পারে

তবে পা ছাড়াও আরও নানা অঙ্গে এই ভিটামিনের ঘাটতির চিহ্ন লক্ষ করা যায়। যেমন, প্রবল ক্লান্তি, বমি ভাব, খিদের অভাব, ওজন হ্রাস হওয়া, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, জিভ লালচে হয়ে ব্যথা হওয়া, স্মৃতিশক্তি ক্ষয় পাওয়া, মনমেজাজ খারাপ থাকা, আবার কখনও সখনও শ্বাসকষ্টও হতে পারে।

ভিটামিন বি ১২-এর ঘাটতি পূরণে রোজের খাবারে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। এর মধ্যে রয়েছে মাছ, চর্বিহীন মাংস, ডিম, মাশরুম এবং দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার যেমন, পনির ও দই ইত্যাদি।

Advertisement
আরও পড়ুন