Summer Tips

চড়া রোদ মাথায় নিয়েই স্কুল থেকে ফিরছে খুদে? শিশুকে সুস্থ রাখতে কী কী সতর্কতা নিতে হবে?

চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশু বাইরে যাক বা না যাক, গরমের কারণে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি যে কেবল বড়দের থাকে তা নয়, ছোটদেরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। তাই সন্তানকে যত্নে রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে অভিভাবকদের।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:০৪
শিশুকে রোদে বার করার আগে কী কী নিয়ম মানতে হবে?

শিশুকে রোদে বার করার আগে কী কী নিয়ম মানতে হবে?

বাইরে কড়া রোদ। গরমের ছুটি পড়তে এখনও দেরি আছে। আপাতত রোদের মধ্যেই স্কুলে যেতে হবে ছোটদের। তাপপ্রবাহ যে কমতে পারে, তেমন পূর্বাভাসও হাওয়া অফিসের তরফে নেই। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশু বাইরে যাক বা না যাক, গরমের কারণে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি যে কেবল বড়দের থাকে তা নয়, ছোটদেরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। তাই সন্তানকে যত্নে রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে অভিভাবকদের।

Advertisement

১) গরমের সময়ে জলশূন্যতা ভোগায় অনেক শিশুকেই। গরমে শিশুর জল খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে বাবা-মায়েদের। কেবল বাড়িতেই নয়, স্কুলেও যেন সে জল খায়, তা নিশ্চিত করুন। শরীরে জলের ঘাটতি হলে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইডের মতো খনিজেরও ঘাটতি হতে থাকে। এর থেকে বমি, পেটের গন্ডগোল হতে পারে, জ্বরও আসতে পারে। জল ছাড়াও দইয়ের ঘোল, ফলের রস, বেশি মাত্রায় জল আছে এমন ফল গরমের দিনে শিশুর ডায়েটে রাখুন। গরমের দিনে ওআরএস বাড়িতে রাখতেই হবে। শিশুর শরীরে অস্বস্তি হলে বা রোদ থেকে ফিরেই বমি হলে, ওআরএস জলে গুলে খাইয়ে দিতে হবে।

২) হিট স্ট্রোক থেকে সাবধান। এতে ঘাম হবে না, ত্বক শুকিয়ে যাবে, মাথা ঘুরবে, ঘন ঘন বমি করতে থাকবে শিশু। শ্বাসপ্রশ্বাসের হার অনেক বেড়ে যাবে, সেই সঙ্গে ডায়েরিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অনেক সময়ে হিট স্ট্রোকের কারণে খিঁচুনিও হয় শিশুদের, এমন লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

৩) গরমের সময়ে নানা রকম জীবাণুর সংক্রমণও হয় ছোটদের। তা থেকে জ্বর, সর্দি-কাশির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সময় শিশুর জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের উপরে উঠলে তবেই প্যারাসিটামল বা ক্যালপল জাতীয় ওষুধ খাওয়ান। তবে বয়স অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা কত হবে, তা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে। কোনও রকম অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াবেন না। তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

৪) দুপুরের দিকে সন্তানকে নিয়ে কোথাও না বেরোনোই শ্রেয়। শিশুকে স্কুল থেকে নিয়ে আসার সময়ে সব রকম সুরক্ষা নিন। শিশুর মাথায় পাতলা সুতির স্কার্ফ জড়িয়ে দিন। কিংবা টুপিও পরাতে পারেন। সানস্ক্রিন মাখাতেও ভুলবেন না। স্কুল থেকে ফেরার পরেই শিশুকে স্নান করিয়ে দিতে হবে।

৫) খাওয়াদাওয়ায় বিশেষ নজর দিতে হবে এই সময়ে। বাইরের খাবার, ভাজাভুজি খাওয়ানো চলবে না। জাঙ্ক ফুড একেবারেই দেবেন না। এমনকি রাস্তায় যে ফলের রস, শরবত, লস্যি বিক্রি হয়, তা-ও খাওয়াবেন না শিশুকে। বাড়িতে তৈরি হালকা খাবারই খেতে হবে। ভাত, পাতলা করে ডাল, মাছের ঝোল ও বেশি করে সবুজ শাকসব্জি খাওয়াতে পারলে ভাল হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন