—প্রতীকী ছবি।
এক জন মানুষের জন্মসংখ্যা, রাশি প্রভৃতির উপর নির্ভর করে উক্ত ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে। অর্থাৎ, এক জন মানুষ কেমন প্রকৃতির হবেন সেটি অনেকটাই নির্ভর করে তাঁর রাশি ও জন্মসংখ্যার উপর। হাতের পাঁচটি আঙুল যেমন সমান হয় না, তেমনই পৃথক পৃথক মানুষের আচার-আচরণও হয় ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু একই রাশির মানুষদের মধ্যে কিছু না কিছু মিল পাওয়া যায়। তেমনই একই মাসে জন্মানো মানুষদের মধ্যেও কিছু ব্যাপারে অল্প হলেও মিল থাকে। জন্মমাসের ভিত্তিতে ভিন্ন মানুষের চরিত্রেও নানা বিভিন্নতা দেখা যায়। সেই অনুযায়ী বিচার করে দেখা যাচ্ছে কিছু মাসে জন্মানো ব্যক্তিরা অন্যদের থেকে বেশি আবেগঘন হয়ে থাকেন। তালিকায় কারা রয়েছেন দেখে নিন।
কোন কোন মাসে জন্মানো ব্যক্তিরা আবেগতাড়িত হন?
জানুয়ারি: জানুয়ারিতে জন্মানো ব্যক্তিরা আবেগঘন হন। কিন্তু তাঁরা সেটা সহসা প্রকাশ করেন না। এমনকি নিজের থেকেও সেটা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কোনও ব্যাপারে যে এঁরা কষ্ট পাচ্ছেন, সেটা এঁরা নিজের বা অপরের কাছে স্বীকার করতে চান না। পাছে দুর্বল হয়ে পড়েন সেই ভয়ে এঁরা নিজেদের অনুভূতিকে মনের গহীনে চেপে রাখতেই পছন্দ করেন।
মার্চ: মার্চে জন্মানো জাতক-জাতিকারা মাথার থেকে মনের কথা বেশি শোনেন। বাড়তি চিন্তাতেও এঁদের হারানো মুশকিল। আবেগ ও অতিরিক্ত চিন্তার স্বভাবের জন্য মার্চে জন্মানো ব্যক্তিরা বিপরীতের মানুষটি কিছু বলার আগে নিজেরাই অনেক কিছু ভেবে ফেলেন। আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ এঁদের খুব একটা থাকে না। তাঁদের এই স্বভাব নিজেদের জন্যই মাঝেমধ্যে সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়।
জুলাই: জুলাইয়ের জাতক-জাতিকারা সব কিছু মনে রেখে দেন। এঁরা স্মৃতি আঁকড়ে বাঁচতে ভালবাসেন। তাঁদের এই স্বভাব এঁদের জীবনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। অতীতের কোনও কষ্টদায়ক স্মৃতি এঁদের বর্তমানের সুখকর মুহূর্তগুলিকে মন খুলে উপভোগ করা থেকে আটকে দেয়। সেই কারণে এঁরা যে কোনও মানুষের সঙ্গে চট করে মিশে যেতে পারেন না।
নভেম্বর: নভেম্বরে জন্মানো জাতক-জাতিকারা সংবেদনশীল হন। এঁরা কাছের মানুষদের জন্য যা কিছু করতে পারেন। বদলে সমপরিমাণ প্রয়াস পাওয়ার প্রত্যাশা রাখেন। সেটা না হলেই এঁরা কষ্টের সাগরে ডুব দেন। নিজের অনুভূতির চাপে এঁরা নিজেরাই কষ্ট পান। কিন্তু অপরের জন্য চিন্তা করা এঁরা ছাড়তে পারেন না। আবেগের বশে কোনও কাজ করার আগে নভেম্বরে জন্মানো জাতক-জাতিকারা দু’বার ভাবেন না।