Vastu Remedies For Couple
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে প্রেমে ভাটা? শোয়ার ঘরের বাস্তুদোষের কারণে সম্পর্কে পড়তে পারে অশুভ ছায়া
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, শোয়ার ঘরের সঠিক বিন্যাস দম্পতিদের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়াতে এবং নেতিবাচকতা দূর করতে সাহায্য করে। বাস্তুমতে, কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আরও মজবুত হয়।
অনেক সময় এক ছাদের তলায় দীর্ঘ দিন থাকতে থাকতে স্বামী-স্ত্রীর
সম্পর্ক থেকে রোম্যান্স ধীরে ধীরে উবে যায়। মানসিক দূরত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই
সম্পর্কে চলে আসে তিক্ততা। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, সংসারে অকারণে নিত্য অশান্তি
দেখা দেয়। তবে, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে দূরত্ব অনেক সময় বাস্তুদোষের কারণেও হতে
পারে। শোয়ার ঘর হল শান্তি এবং পারস্পরিক সম্পর্কের জায়গা। বাস্তুশাস্ত্র
অনুযায়ী,
শোয়ার ঘরের সঠিক বিন্যাস দম্পতিদের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়াতে এবং
নেতিবাচকতা দূর করতে সাহায্য করে। বাস্তুমতে, কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আরও মজবুত হয়। নীচে সেই নিয়মগুলি নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করা
হল—
- দম্পতিদের শয়নকক্ষ সব সময় দক্ষিণ-পশ্চিম
দিকে থাকা উচিত। এর ফলে তাঁদের সম্পর্কে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। ঘুমোনোর
সময় মাথা দক্ষিণ দিকে রাখা শুভ।
- ঘরে সর্বদা কাঠের বিছানা
ব্যবহার করা উচিত। লোহার বিছানা পরিহার করুন। লোহার বিছানায় শুলে সম্পর্কের মধ্যে বিরক্তি ও দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
- বিছানায় সব সময় একটি বড়
তোশক ব্যবহার করুন। দু’টি ভিন্ন তোশক জোড়া দিয়ে ব্যবহার করলে
মানসিক দূরত্ব তৈরি হতে পারে।
- বিছানার সামনে যেন কোনও আয়না না থাকে। ঘুমোনোর সময় নিজের
প্রতিফলন দেখা বাস্তু অনুযায়ী অশুভ। মনে করা হয়, এর ফলে সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তিকে
নিয়ে বিবাদ তৈরি হতে পারে। যদি আয়না সরাতে না পারেন, তবে রাতে আয়নাটি
কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন।
- বেডরুমে টিভি, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার না
রাখাই ভাল। বাস্তু অনুসারে, তা স্বামী-স্ত্রীর একান্তে সময় কাটানোর পথে বাধা হয়ে
দাঁড়ায়।
- যুদ্ধের ছবি, বিষণ্ণ কোনও মানুষের ছবি
ঘরে রাখবেন না। তার পরিবর্তে স্বামী-স্ত্রীর হাসিমুখের ছবি দিয়ে শোয়ার ঘর সাজিয়ে
রাখুন।
- শোয়ার ঘরের ভিতর এক জোড়া পাখির ছবি বা মূর্তি রাখতে পারেন। মনে করা হয়, এটি প্রেমের প্রতীক। ঘরে এটি রাখলে সম্পর্ক মধুর হয়ে ওঠে।
- ঘরে খুব কড়া আলো না জ্বালিয়ে নরম বা মৃদু আলোর ব্যবস্থা
করুন। এটি রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি করে।
- ঘরে সুগন্ধি মোমবাতি ব্যবহার করতে পারেন। জুঁই বা ল্যাভেন্ডারের সুবাস মানসিক চাপ কমায়।