Anganwadi worker death

মৃত্যু হয়েছে ১৮ মাস আগে, নোটিস এল অঙ্গনওয়াড়ি সেই কর্মীর নামে! কাজে যোগ না দিলে বরখাস্তেরও নির্দেশ

প্রশাসন থেকে নোটিস পাওয়ার পর থেকেই বাড়ির লোকেরা ভেবে পাচ্ছেন না এমনটা কী করে সম্ভব। পার্বতীর স্বামী কিষাণলাল জানিয়েছেন, পার্বতীর মৃত্যুর শংসাপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়েছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৬
Anganwadi worker died 18 months ago, gets notice to join work in Uttar Pradesh

পার্বতী নামে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর মৃত্যুর শংসাপত্র হাতে তাঁর স্বামী কিষাণলাল। ছবি: সংগৃহীত।

তাঁর মৃত্যু হয়েছে ১৮ মাস আগে। অঙ্গনওয়াড়ি সেই কর্মীর নামে নোটিস এল। শুধু তা-ই নয়, নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অবিলম্বে কাজে যোগ না দিলে বরখাস্ত করা হবে। এমনই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মহোবা জেলায়। এ রকম একটি নোটিস পেয়ে রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গিয়েছেন ওই কর্মীর বাড়ির লোকেরা।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রের খবর, নোটিস পাঠানো হয়েছে পার্বতী নামে এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর নামে। প্রশাসন থেকে নোটিস পাওয়ার পর থেকেই বাড়ির লোকেরা ভেবে পাচ্ছেন না এমনটা কী করে সম্ভব। পার্বতীর স্বামী কিষাণলাল জানিয়েছেন, পার্বতীর মৃত্যুর শংসাপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর পার্বতীর মৃত্যু হয়। তার পর সেই খবর জানিয়ে আট দিন পর জেলা নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরে মৃত্যুর শংসাপত্র জমা দেন।

কিষাণলাল জানিয়েছেন, সব নথিপত্র জমা দেওয়ার পরেও তাঁর স্ত্রীর নামে নোটিস এসেছে। সেই নোটিসে সই করেছেন শিশু উন্নয়ন আধিকারিক ইয়াসমিন জাহান। তাঁর দাবি, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায় সেটি বন্ধ রয়েছে। ওই কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন পার্বতী। তিনি কোনও তথ্যই সরকারি ওয়েবসাইটে আপলোড করেননি। তার পরই পার্বতীর নামে নোটিস পাঠানো হয়। পার্বতীর ছেলে মহেশ কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘এই নোটিস নিয়ে স্বর্গে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাব। তাঁকে জিজ্ঞাসা করব, কেন ১৮ মাস ধরে কাজে যাচ্ছেন না।’’

মৃত ব্যক্তির নামে নোটিস জারি হওয়ায় প্রশাসনিক কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পার্বতীর পরিবার জানিয়েছে, সব নথি জমা দেওয়ার পরেও কেন নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন