শ্রীনগরে তুষারপাত। ছবি: পিটিআই।
উত্তর, উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আটটি রাজ্যে ইতিমধ্যেই শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেগুলি হল, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগঢ়। অন্য দিকে, জমমু-কাশ্মীর, হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ডে ভারী তুষারপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বুধবার থেকে এই পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে মৌসম ভবন জানিয়েছে। তবে শুধু শীতের দাপটই নয়, তার সঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার, মধ্যপ্রদেশের কিছু কিছু অংশে।
ঘুন কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় মধ্যপ্রদেশে ২৪টি এবং রাজস্থানে ২০ জেলায় স্কুল বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের বেশির ভাগ শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে গিয়েছে। সোমবার ছতরপুরের নওগাঁওয়ে তাপমাত্রার পারদ ১ ডিগ্রিতে ঠেকেছিল। অন্য দিকে, রাজস্থানের সাতটি শহরে রাতের তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে যাচ্ছে গত দু’দিন ধরে। মাউন্ট আবুতে টানা তিন দিন তাপমাত্রা শূন্যের নীচে ছিল। ভোপাল, খাজুরাহো-সহ বেশ কয়েকটি শহরে ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ২০ মিটারের নীচে নেমে গিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ৩০টিরও বেশি জেলায় কুয়াশার দাপট জারি ছিল। শহাডোলের কল্যাণপুরে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবার উত্তরাখণ্ডে সোমবার মুনসয়ারিতে সবচেয়ে শীতলতম দিন ছিল। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল হিমাঙ্কের ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। কেদারনাথে তাপমাত্রা ছিল হিমাঙ্কের ২৩ ডিগ্রি নীচে। উত্তরকাশীর গঙ্গোত্রীতে তাপমাত্রা ছিল হিমাঙ্কের ২১ ডিগ্রি নীচে। হিমাচলের লাহুলল-স্পিতির তাবো এবং জম্মু-কাশ্মীরের গুলমার্গে সোমবার ছিল এই মরসুমের শীতলতম দিন।
শীতের দাপটে জবুথবু বিহার। মঙ্গলবার ৩০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৮ জানুয়ারি থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে পূর্ভাবাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কুয়াশার দাপটও চলবে বেশ কয়েকটি জেলায়।