—প্রতীকী চিত্র।
ঝাড়খণ্ডের রাজ্যসভা নির্বাচনে ক্রস ভোটিং করিয়ে গত কাল এক নির্দল প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে পেরেছেন এনডিএ নেতৃত্ব। পূর্ব ভারতের ওই রাজ্যে প্রতিপক্ষ শিবিরে ভাঙন ধরাতে বিজেপি সক্ষম হলেও, দক্ষিণে কর্নাটকে কিন্তু বিধান পরিষদের ভোটে উল্টে বিজেপির তিন বিধায়ককে ভাঙিয়ে নিতে পেরেছে ডি কে শিবকুমারের কংগ্রেস। কেন বিজেপি দলীয় বিধায়কদের ধরে রাখতে পারল না, তা নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে কর্নাটকের বিজেপি সভাপতি বিজয়েন্দ্রকে আগামী ২৩ জুন দিল্লি ডেকে পাঠিয়েছেন দলের সভাপতি নিতিন নবীন।
গত কাল কর্নাটক বিধানসভার সাতটি বিধান পরিষদ আসনের নির্বাচনে মোট আট জন প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন। কংগ্রেসের যা শক্তি তাতে তাদের চার জন বিধান পরিষদ সদস্য জেতার কথা থাকলেও, তাঁরা পাঁচ জন প্রার্থী দাঁড় করায়। ভোটের ফলে দেখা যায়, সব মিলিয়ে ১৫১টি ভোট পায় কংগ্রেস। যা তাঁদের মোট সংখ্যার চেয়ে এগারোটি বেশি। ফলে কংগ্রেসের পাঁচ জন প্রার্থীই জয়ী হন। বাকি দু’টি আসন পায় বিজেপি। হেরে যান এনডিএ শরিক জেডিএস প্রার্থী। প্রাথমিক বিশ্লেষণে জানা গিয়েছে, জেডিএসের আট জন ও বিজেপির তিন জন বিধায়ক ক্রস ভোটিং করায় জেডিএস প্রার্থী হেরে যান। আজ এ প্রসঙ্গে বিজেয়েন্দ্র বলেন, ‘‘কারা ক্রস ভোটিং করল, কেন করল তা জানার পরেই দল পদক্ষেপ করবে।’’
এ দিকে কর্নাটকের ওই ঘটনায় বিজয়েন্দ্রকে তলব করেছেন বিজেপি। সূত্রের মতে, ওই রাজ্যে বিজয়েন্দ্রের সভাপতি হিসেবে প্রথম পর্বের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে ঘরোয়া ভাবে তাঁকে সরে যাওয়া বার্তা দেওয়া হলেও তিনি দ্বিতীয়বার সভাপতি থাকার ব্যাপারে অনড়। গত কালের ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে দলের বিধায়কদের উপর বিজয়েন্দ্রের কর্তৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনাকে হাতিয়ার করে ২০২৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিজয়েন্দ্রকে পদ থেকে সরিয়ে নতুন কোনও মুখকে নিয়ে আসার ঝুঁকি দল নেয় কি না, তাই এখন দেখার।