—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
এত দিন এনডিএ-তে বিজেপির দুই প্রধান শরিক ছিল চন্দ্রবাবু নায়ডুর টিডিপি ও নীতীশ কুমারের জেডিইউ। আচমকাই বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিশ সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছে। লোকসভায় স্বীকৃতি পেলে এনসিপিআই এনডিএ-তে বিজেপির পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হবে। লোকসভায় তাদের সাংসদ ২০ জন, টিডিপি-র ১৬, জেডিইউ-র ১২।
আজ কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, টিডিপি বা জেডিইউ-কে জানিয়ে কি বিজেপি এই পদক্ষেপ করেছে? দলের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেন, ‘‘অমিত শাহ এখন মরিয়া। তিনি দেশের রাজনীতিকে নির্লজ্জতার সঙ্গে তলানিতে নিয়ে যাচ্ছেন।’’ রমেশ বলেন, ‘‘তিনিই তৃণমূলের ২০ জন সাংসদকে বেআইনি ভাবে ভাঙিয়ে তিন বছর আগে নথিবদ্ধ কিন্তু অস্বীকৃত একটি দলে মিশিয়ে দিয়েছেন। যে ছলাকলার সঙ্গে এ কাজ হল, তা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত, অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল টিডিপি, জেডিইউ-র প্রতিবাদ করা উচিত।’’
কংগ্রেসের অভিযোগ, একবার ব্যর্থ হয়ে ফের আসন পুনর্বিন্যাসের জন্য সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোগাড়ের জন্য শাহ এ কাজ করছেন। দলের সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন, ‘‘বিজেপির দল ভাঙানোর অতৃপ্ত খিদে এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে, সাংসদদের জড়ো করে এমন দলে ঢোকানো হচ্ছে, যার নাম কেউ শোনেনি! দলত্যাগ বিরোধী আইন গণতন্ত্র রক্ষার জন্য তৈরি হয়েছিল, তা এড়ানোর পথ নেই।’’ কংগ্রেস সাংসদ বিবেক তাঙ্খা বলেন, ‘‘তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা যখন দেখলেন যে, তৃণমূলে থেকে আর একটি গোষ্ঠী গড়া সম্ভব নয়, তখন তাঁরা জনপ্রতিনিধিহীন একটি দলে মিশে যাওয়ার কৌশল নিলেন। এটি সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইনের সঙ্গে প্রতারণা।’’