অমিত শাহ। — ফাইল চিত্র।
জটিল অপরাধের রহস্যভেদে মাত্র দশ শতাংশ ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপের তথ্যভান্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। অপরাধীদের ধরতে ওই তথ্য আরও ব্যবহারের উপরে জোর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
দিল্লিতে আজ ২৬তম সর্বভারতীয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্মেলনে অপরাধ দমন ও দুষ্কৃতীদের শনাক্তকরণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উপরে জোর দিয়েছেন শাহ। সম্মেলনে ন্যাশনাল অটোমেটেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এনএএফআইএস)-এর ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমানে ওই এনএএফআইএস ব্যবস্থার মাত্র দশ শতাংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যবহার আরও বাড়াতে হবে।’’ তিনি বলেন, নতুন যে ন্যায় সংহিতা আনা হয়েছে, তার লক্ষ্যই হল তিন বছরের মধ্যে কোনও মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে শেষ করা। সেই লক্ষ্যে আঙুলের ছাপ, টেলিফোন রেকর্ড, ডিএএন ম্যাচিং-এর মতো বৈজ্ঞানিক প্রমাণগুলি আরও বেশি করে ব্যবহারের উপরে জোর দেন তিনি।
পাশাপাশি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরামর্শ, ভবিষ্যৎমুখী পদক্ষেপ হিসেবে অপরাধ কমাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি এবং ডেটা অ্যানালিটিক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে অপরাধ হতে পারে তা আঁচ করে তা আগে রোখার ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে। তাঁর কথায় ‘‘কোনও নির্দিষ্ট তথ্যকে সময়ে কাজে লাগাতে হবে। সময়ে কাজে না লাগালে সেই তথ্য মূল্যহীন হয়ে পড়ে।’’