প্রতীকী ছবি।
ওড়িশার এক বেসরকারি স্কুলে বছর বারোর এক ছাত্রীকে লাগাতার যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল। আর সেই অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই চার শিক্ষক এবং স্কুলের এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি কেন্দ্রাপাড়ার।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার ওই শিক্ষক এবং কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শিক্ষপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সপ্তম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে নানা ভাবে উত্ত্যক্ত করতেন অভিযুক্ত চার শিক্ষক এবং স্কুলের এক কর্মী।
পড়ুয়ার মায়ের অভিযোগ, তাঁর কন্যাকে দীর্ঘ দিন ধরে ওই পাঁচ জন যৌন হেনস্থা করছিলেন। নানা ভাবে ভয় দেখানো হত। এ ছাড়াও জোরজবরদস্তি এবং অশ্লীল আচরণ করা হত বলেও ছাত্রীর মায়ের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে এই কাজ চলছিল। ভয়ে, আতঙ্কে ওই পড়ুয়া বাড়িতেও কিছু জানায়নি। গত ১৪ জানুয়ারি বাড়িতে এসে মেয়ে খুব কান্নাকাটি করতে থাকে বলে মায়ের দাবি। বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে কিছু বলতে চায়নি প্রথমে। কিছু দিন পর সে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে।
পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির অভিভাবকেরা বিষয়টি জানার এক মাস পরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরই স্কুলে হাজির হয় পুলিশ। চার শিক্ষক এবং এক কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। যৌন হেনস্থা ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই হুলস্থুল পড়ে যায়। অন্য পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের প্রশ্ন, এই ধরনের ঘটনা যদি ঘটতে থাকে, তা হলে কোনও ভরসায় সন্তানদের স্কুলে পাঠাবেন? একটি বিশেষ দল গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ফরেনসিক দল স্কুলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছাত্রীর বয়ান রেকর্ড করা হবে।