Russian Oil

যারা কম দাম নেয়, তাদের থেকেই তেল কেনে ভারত! রুশ জ্বালানি আমদানিতে আমেরিকা ‘ছাড়’ দেওয়ার পর বলল দিল্লি

পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ‘বন্ধ’ করে দিয়েছে ইরান। তবে বিবৃতি দিয়ে দিল্লি জানাল, ভারতের কাছে বিকল্প হিসাবে ৪০টি দেশ রয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৭ মার্চ ২০২৬ ২২:৩৪
(বাঁ দিক থেকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

(বাঁ দিক থেকে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

যেখান থেকে তেল কেনায় সাশ্রয় হয়, সেখান থেকেই তেল কেনে ভারত। বর্তমানে দিল্লির কাছে তেল আমদানির জন্য বিকল্প হিসাবে সব মিলিয়ে ৪০টি দেশ রয়েছে। বিবৃতি প্রকাশ করে এমনটাই জানাল দিল্লি। ঘটনাচক্রে, শুক্রবারই ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ‘৩০ দিনের ছাড়’ দিয়েছে আমেরিকা। আমেরিকার ওই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তেল আমদানিতে একাধিক বিকল্পের কথা তুলে ধরল দিল্লি।

Advertisement

এক বিবৃতিতে নয়াদিল্লি জানিয়েছে, হরমুজ় প্রণালীতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও ভারতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা সুরক্ষিতই রয়েছে। স্থিতিশীল পরিস্থিতি রয়েছে তেল সরবরাহে। ভারত অপরিশোধিত তেল আমদানির জন্য বিকল্প দেশের সংখ্যা ২৭ থেকে বৃদ্ধি করে ৪০ করেছে। এর ফলে বিভিন্ন বিকল্প আমদানিপথ খুলে গিয়েছে ভারতের কাছে। বিবৃতিতে এ-ও বলা হয়েছে, যেখানে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে তেল পাওয়া যায়, দেশের স্বার্থে সেখান থেকেই তেল কেনা হয়।

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। প্রতি দিন গোটা বিশ্বে যত তেল রফতানি হয়, তার ২০ শতাংশই যায় এই হরমুজ় প্রণালী হয়ে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় প্রণালীর দুই ধারে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন দেশের অসংখ্য জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪০ শতাংশ আসে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে।

এই উত্তেজনার মাঝে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের ‘ছাড়’ দেয় ভারতকে। তবে ‘শর্ত’ একটিই। তা হল, এই ছাড় কেবল সমুদ্রপথে আটকে থাকা তেলের ট্যাঙ্কার বা জাহাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। আমেরিকার রাজস্বসচিব স্কট বেসেন্টের দাবি, ভারত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। ইরানের জন্য বিশ্বের জ্বালানির বাজার রুদ্ধ হতে চলেছে। তাই ওই চাপ কমানোর জন্যই এই সাময়িক উদ্যোগ। আমেরিকা মনে করছে, এই সাময়িক ছাড়ের কারণে রাশিয়া খুব বেশি লাভবান হবে না।

Advertisement
আরও পড়ুন