Storm in UP

শক্তিশালী ঝড়ে লন্ডভন্ড উত্তরপ্রদেশের ৩০ জেলা! ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৮৯, আহত অনেকে, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু প্রয়াগরাজে

প্রশাসন সূত্রে খবর, ঝড়বৃষ্টির দাপটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে প্রয়াগরাজ, প্রতাপগড়, ভদোহী, ফতেহপুর, উন্নাও, কানপুর দেহাত, চন্দৌলি, সোনভদ্র এবং বদায়ুঁতে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ১১:৩১
বরেলীতে ঝড় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে এক ব্যক্তিকে। গুরুতর জখম তিনি। ছবি: সংগৃহীত।

বরেলীতে ঝড় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে এক ব্যক্তিকে। গুরুতর জখম তিনি। ছবি: সংগৃহীত।

ঝড়বৃষ্টিতে লন্ডভন্ড অযোধ্যা, বারাণসী এবং গাজ়িয়াবাদ-সহ উত্তরপ্রদেশের ৩০ জেলা। কোথাও ৬০-৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড়, তার সঙ্গে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। আর এই ঝড়বৃষ্টির কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য জুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৮৯ জনের। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫০ জনেরও বেশি। বরেলীতে ঝড়ে টিনের একটি ছাউনি-সহ এক ব্যক্তিকে ৪৫ ফুট উঁচুতে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে ১০০ মিটার দূরে ফেলে। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে খবর, ঝড়বৃষ্টির দাপটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে প্রয়াগরাজ, প্রতাপগড়, ভদোহী, ফতেহপুর, উন্নাও, কানপুর দেহাত, চন্দৌলি, সোনভদ্র এবং বদায়ুঁতে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে উদ্ধারকাজ চলছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জেলা প্রশাসনগুলিকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা এবং মৃতদের পরিবারগুলিকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করার কথা বলেছেন।

রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে প্রয়াগরাজে। সেখানে ১৭ জন মারা গিয়েছেন। তার পরেই রয়েছে ভদোহী। সেখানে মৃত্যু হয়েছে জনের। ফতেহপুরে মৃত ৯, বদায়ুঁতে ৫, প্রতাপগড়ে ৪, চন্দৌলি এবং কুশীনগরে দু’জন করে মারা গিয়েছেন। সোনভদ্রতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রয়াগরাজ। সেখানে হান্ডিয়া এলাকায় সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। ফুলপুরে তিন জন, সোরাওয়ে তিন, মেজায় দু’জন এবং সদরে এক জনের মৃত্যু হয়েছে ঝড়ের কবলে পড়ে।

শুধু ঝড় নয়, ৩০টি জেলাতে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিও হয়েছে। মথুরা, উন্নাও এবং প্রয়াগরাজে ঝড়ের পাশাপাশি শিলাবৃষ্টিও হয়েছে। গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর কাঁচাবাড়ি। এ ছাড়াও ফসলের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিভিন্ন জেলায়। গবাদি পশুরও মৃত্যু হয়েছে কোনও কোনও জেলায়। দেওরিয়া, বারাবঁকী, সীতাপুরে ২০০০ গ্রাম বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণে ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। তবে শুক্রবার থেকে আবার বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে এবং রাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন