রাজকুমার গয়াল। ছবি: সংগৃহীত।
কোভিডের সময়ে অক্সিজেনের সমস্যা মেটানোর ক্ষেত্রে তাঁর কাজের প্রশংসা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। মুখ্য তথ্য কমিশনার পদে সেই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস সুমিতা দাওরার নাম প্রস্তাব করেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কিন্তু রাহুলের প্রস্তাবিত তিন জনেরই নাম খারিজ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পছন্দমতো আইন মন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব রাজকুমার গয়ালকে মুখ্য তথ্য কমিশনার করা হয়েছিল।
মুখ্য তথ্য কমিশনারের পদ প্রায় তিন মাস ফাঁকা পড়ে থাকার পরে মোদী সরকার গত ডিসেম্বরে রাজকুমার গয়ালকে নিয়োগ করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তাঁর বাছাই করা এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (এ ক্ষেত্রে অমিত শাহ) ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে নিয়ে তৈরি তিন সদস্যের কমিটি মুখ্য তথ্য কমিশনার বাছাই করে। সমাজকর্মীরা আগেই অভিযোগ তুলেছেন, তিন জনের এই কমিটিতে সরকারেরই দু’জন। ফলে সরকার যা চাইবে,তা-ই হবে।
বাস্তবে তা-ই হয়েছে। মুখ্য তথ্য কমিশনার বাছাই করার জন্য গত ডিসেম্বরে মোদী, শাহ, রাহুলের কমিটির যে বৈঠক হয়েছিল, তার কার্যবিবরণী এখন প্রকাশ্যে এসেছে। বৈঠকে রাহুল সুমিতা, ওড়িশা হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এস মুরলীধর বা শিক্ষাবিদ ফয়জান মুস্তাফার নাম প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু তাঁর প্রস্তাব খারিজ করে শাহের প্রস্তাব অনুযায়ী, রাজকুমার গয়ালকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়।
যাঁদের নাম প্রাথমিক ভাবে বাছাই করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে সুমিতার নাম ছিল। সুমিতার তিন দশকের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রমসচিব ও বাণিজ্যসচিব হিসেবে কাজ করেছেন। তালিকার বাইরে থেকে কারও নাম ভাবা হলে রাহুল গান্ধী মুস্তাফা ও মুরলীধরের কথা বলেছিলেন।