(বাঁ দিকে) বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং এস জয়শঙ্কর (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।
বাংলাদেশের নতুন বিএনপি সরকারের প্রথম সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে গত কাল নয়াদিল্লি এসে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিক দৌত্য সারলেন বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কমলকে প্রত্যর্পণের আর্জি ফের জানিয়েছেন খলিলুর। অন্য দিকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।
আজ দুপুরে নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে জয়শঙ্করের সঙ্গে খলিলুরের এক ঘণ্টার বেশি আলোচনা হয়। দু’জন মন্ত্রী একান্তেও কিছু সময় কথা বলেন। জয়শঙ্কর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার ব্যাপারে আমরা সহমত পোষণ করেছি।’ বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু’পক্ষই বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক কাঠামোর মাধ্যমে অংশীদারি গভীর করার প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করেছে। এই লক্ষ্যে শীঘ্রই পরবর্তী আনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’ বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমে তারেক রহমানের ভারত সফরের পূর্বাভাস করা হয়েছে।
খলিলুর আজ বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল এবং পেট্রলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরীর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। খলিলুর সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ডিজ়েল সরবরাহের জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানান এবং সরবরাহ আরও বাড়ানোর অনুরোধ করেন। জবাবে পুরী বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করায় ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানান খলিলুর। ধৃতদের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়েওঐকমত্য হয়েছে।