Jammu and Kashmir

কিশ্তওয়ারে নিহত জওয়ানকে শেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন! ব্যাপক ধরপাকড় উপত্যকা জুড়ে, চলছে তৃতীয় দিনের অভিযান

কিশ্তওয়ারের পার্বত্য জঙ্গলে জঙ্গিদমন অভিযান মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে পা রেখেছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:০৪

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

জম্মু ও কাশ্মীরের কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ভারতীয় সেনার জওয়ানকে শেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন সতীর্থেরা।

Advertisement

রবিবার রাতে জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডের স্‌প্লিন্টারে গুরুতর জখম হয়েছিলেন স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো গজেন্দ্র সিংহ। সোমবার সেনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাঁর। মঙ্গলবার সকালে সহকর্মীরা নিহত জওয়ানের মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন। অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন হোয়াইট নাইট কোরের ভারপ্রাপ্ত চিফ অফ স্টাফ ব্রিগেডিয়ার যুধবীর সিংহ সেখন। জম্মু-কাঠুয়া-সাম্বা রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ শিবকুমার শর্মা, জম্মুর ডেপুটি কমিশনার রাকেশ মিনহাস-সহ পুলিশ, সিআরপিএফ এবং বিএসএফ-এর বেশ কয়েক জন ঊর্ধ্বতন কর্তাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে জওয়ানের মরদেহ উত্তরাখণ্ডের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

কিশ্তওয়ারের পার্বত্য জঙ্গলে জঙ্গিদমন অভিযান মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে পা রেখেছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। অভিযানের সূত্রপাত রবিবার দুপুর থেকে। সে দিন গোপন সূত্রে সেনাকর্তারা খবর পেয়েছিলেন, কিশ্তওয়ারের মান্দ্রাল-সিংপোরা এলাকায় অবস্থিত সোন্নার গ্রামে জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে জঙ্গিরা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করে সেনার হোয়াইট নাইট্‌স কোর। অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন ত্রাশি-১’। রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত জঙ্গিদের সঙ্গে দফায় দফায় সেনাকর্মীদের গুলির লড়াই চলে। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডে আট জন জওয়ান জখম হন। এই ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি সংঘর্ষস্থলে পৌঁছোন জম্মু জ়োনের পুলিশের আইজি ভীমসেন টুটি এবং জম্মু সিআরপিএফ-এর আইজি গোপালকৃষ্ণ রাও-সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অভিযান তত্ত্বাবধানের জন্য আপাতত সেখানেই ক্যাম্প করে রয়েছেন তাঁরা।

সেনাকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল থেকে বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। জঙ্গিদের গোপন আস্তানা থেকে প্রচুর পরিমাণে চাল, ডাল, শুকনো খাবার, বাসনপত্র এবং শীতবস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, যা উপত্যকার শীতে অন্তত চার জনের ভরণপোষণের জন্য যথেষ্ট। স্থানীয়দের মধ্যে কারা জঙ্গিদের সে সব সরবরাহ করেছিলেন, তাঁদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে নিরাপত্তাবাহিনী।

Advertisement
আরও পড়ুন