Tamil Nadu Gas Leak

তামিলনাড়ুর কারখানায় গ্যাস লিক! মৃত্যু অন্তত সাত জনের, হাসপাতালে ভর্তি ৬৫ জনের বেশি, তদন্ত কমিটি তৈরির নির্দেশ

জানা গিয়েছে, অসুস্থ শ্রমিকদের অধিকাংশই ভিন্‌রাজ্যের। বিশেষত উত্তর ভারতের রাজ্যগুলি থেকে ওই কারখানায় কাজে গিয়েছিলেন। কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্তর্বর্তিকালীন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ১৬:৫৭
Several killed in ammonia gas leak in Tamil Nadu’s seafood factory

আহতদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ছবি: পিটিআই।

তামিলনাড়ুর একটি সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়া এবং রফতানি কারখানায় বিপর্যয়। তিরুভাল্লুর জেলার ওই কারখানায় অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করে অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। সকলেই মহিলা। আরও বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, অন্তত ৬৫ জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

Advertisement

তিরুভাল্লুর জেলাশাসক কবিতা জানিয়েছেন, আক্রান্ত মোট ৬৭ জন শ্রমিককে দ্রুত স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪৬ জন ভেলস হাসপাতালে এবং ২১ জন ভেঙ্কটেশ্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর অসুস্থ ন’জনকে চেন্নাইয়ের সরকারি স্ট্যানলি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার বেশ কিছু ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছে। সেই সব ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। অনেকের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। কারও কারও মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গও দেখা যায়। অ্যাম্বুল্যান্সে করে দ্রুত অসুস্থ শ্রমিকদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, অসুস্থ শ্রমিকদের অধিকাংশই ভিন্‌রাজ্যের। বিশেষত উত্তর ভারতের রাজ্যগুলি থেকে ওই কারখানায় কাজে গিয়েছিলেন। কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল? প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই কারখানার পরিমাপক ভাল্‌ভ থেকে গ্যাস লিক‌ হয়।

তিরুভাল্লুর জেলার পেরিয়াপালায়ামের নিকটবর্তী কান্নিগাইপায়ার গ্রামে চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে তামিলনাড়ুর লোক ভবনের তরফে। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকার। মুখ্যমন্ত্রী ‘তলপতি’ বিজয় এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশের পর শিল্প নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের অধিকর্তা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সদস্য-সচিব এবং জনস্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত অধিকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্তর্বর্তিকালীন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে। তিন দিনের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসায় যাতে কোনও গাফিলতি না-ঘটে, তা তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন বিজয়।

Advertisement
আরও পড়ুন