Provident Fund Scheme

প্রভিডেন্ট ফান্ডের মজুরির সীমা সংশোধনের বিষয়ে চার মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি সংস্থার কোনও কর্মীর মূল বেতন (বেসিক পে) ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে পেনশন স্কিমের আওতায় আনতে হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৪
Supreme Court asks Centre to consider revising wage ceiling for Employees Provident Fund Scheme

—প্রতীকী চিত্র।

কর্মচারী ভবিষ্যনিধি প্রকল্পের (পিএফ) মজুরির সীমা সংশোধন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে চার মাসের সময়সীমা দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি এএস চান্দুরকরের বেঞ্চ সোমবার নবীন প্রকাশ নৌটিয়ালের দায়ের করা একটি আবেদনের ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে।

Advertisement

ইপিএফ নিয়ন্ত্রণ করে এমপ্লয়িজ় প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও। এটি কেন্দ্রের শ্রম মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সংস্থা। বর্তমানে ইপিএফও-র নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি সংস্থার কোনও কর্মীর মূল বেতন (বেসিক পে) ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে পেনশন স্কিমের আওতায় আনতে হয়। গত ১১ বছর ধরে এই নিয়মই বলবৎ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার মজুরিসীমা ১৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার টাকা করতে পারে বলে গত কয়েক বছর ধরে জল্পনা থাকলেও এখনও তা কার্যকর হয়নি।

আবেদনকারীর পক্ষের প্রণব সচদেব এবং নেহা রাঠি সোমবার শীর্ষ আদালতে বলেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিভিন্ন রাজ্য কর্তৃক ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকার ইপিএফও মজুরিসীমার চেয়ে বেশি হওয়া সত্ত্বেও এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মজুরি সংশোধন করা হয়নি। তাঁদের অভিযোগ, এর ফলে বেশিরভাগ শ্রমিক ইপিএফও স্কিমের সুবিধা এবং সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ইপিএফের মতো সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা থেকে শ্রমিক-কর্মচারীদের বড় অংশকে বঞ্চিত রাখার ধারা পরিবর্তনের আর্জি জানান তাঁরা।

Advertisement
আরও পড়ুন