—প্রতীকী চিত্র।
বিভিন্ন নীতি ও প্রকল্প নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। কারণ মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রকগুলির যে ক্যাবিনেট নোট পেশের কথা, সেটি তারা সময়মতো তৈরি করছে না। আন্তঃমন্ত্রক আলোচনার খতিয়ানও সঙ্গে সঙ্গে আপলোড হচ্ছে না পোর্টালে। এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সব মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের চিঠি লিখে হুঁশিয়ারি দিল ক্যাবিনেট সচিবালয়। সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ওই চিঠিতে তাঁদের বলা হয়েছে, কঠোর ভাবে সময়সীমা মেনে কাজ করতে হবে। অন্যথায় সরকারের নিজস্ব প্রশাসনিক স্কোর কার্ডে মন্ত্রকের নম্বর কাটা যাবে।
সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নাগপুর বিমানবন্দরের পরিচালন ব্যবস্থা জিএমআর এয়ারপোর্টস লিমিটেডের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে এখনও অনুমোদন দিয়ে উঠতে পারেনি মন্ত্রিসভা। বাজেটে ন্যাশনাল আরবান ডিজিটাল মিশনের ঘোষণা হলেও তা এখনও মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়নি। পরিযায়ী কর্মীদের কর্মস্থলের কাছাকাছি বাড়ি দেওয়ার ‘স্কিম ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাউসিং’ও মন্ত্রিসভার সম্মতি পায়নি।
বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার লক্ষ্যে র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করেছিল সরকার। একশো নম্বরের প্রশাসনিক স্কোর কার্ডও চালু করা হয়। মন্ত্রিসভা ও মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটির জন্য নোট তৈরির বিভিন্ন স্তরে নজরদারির জন্য ‘ইন্টার মিনিস্টেরিয়াল কনসালটেশন’ নামে একটি নতুন মডিউল তৈরি হয়েছিল। তাতেই ধরা পড়েছে বিলম্ব। একটি চ্যানেলের দাবি, ক্যাবিনেট সচিবালয়ের চিঠিতে উল্লেখ,স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রিসভার নোট নির্ধারিত ৭, ১৪ বা ২১ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ করা হচ্ছে না। প্রশাসনিক স্কোর কার্ডে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক বা দফতরের নম্বরে এর প্রভাব পড়তে পারে।