—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ। সেই রোষে ভাইয়ের হাতে খুন হলেন দাদা। তবে খুনের দোষ যাতে তাঁর উপর না-চাপে সেই কারণে দাদার দেহ বাড়িতেই পুঁতে দেন অভিযুক্ত। তার পরে নিজেই থানায় গিয়ে দাদার নামে নিখোঁজ ডায়েরি করেন তিনি! পুলিশ জানিয়েছে, ন’দিন ধরে বাড়ির চৌহদ্দিতে দেহ পোঁতা ছিল। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে।
নিহত ব্যক্তির নাম তারেক বেগ (৩৮)। তিনি অবিবাহিত। থাকতেন ভাই মাসারিকের সঙ্গে। মাস দুই আগে মাসারিক বিয়ে করেন। তাঁদের বাবা মারা গিয়েছেন। মা থাকতেন না পুত্রদের সংসারে।
জানা গিয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মাসারিক থানায় জানান তাঁর দাদা গত পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ। সেই কথা জানার পর থেকেই তারেকের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। তদন্তকারীরা তাঁর মোবাইলের উপর নজরদারি শুরু করেন। দেখা যায়, ফোনটিকে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পাওয়া যায় বাড়িতেই। তখনই সন্দেহ জাগে পুলিশের মনে।
খোঁজখবর নেওয়ার সময় তারেকদের কাকা তদন্তকারীদের জানান, দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অশান্তির বিষয়টি। মাসারিককে নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেন। তার পরেই মাসারিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রে খবর, প্রথমে জেরায় নানা রকম কথা বলেন মাসারিক। তবে লাগাতার জেরায় শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েন তিনি। স্বীকার করেন দাদাকে খুনের কথা।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত স্বীকার করেন পৈতৃক সম্পত্তির একক মালিকানা চাইতেন তিনি। সেই কারণে দাদাকে খুনের পরিকল্পনা করেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তারেককে ঘুমন্ত অবস্থায় কুড়ুল দিয়ে হামলা করেন মাসারিক। তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয় তাঁর। তার পরে বাড়ির পিছনের জমি খুঁড়ে সেখানে পুঁতে দেন দেহ।