UP Digital Arrest Case

‘প্রতি জন্মে যেন এই পরিবার পাই’! বিবাহবার্ষিকীর আগের দিন মৃত্যু বধূর, শেষকৃত্যের পর চিঠি উদ্ধার স্বামীর

উত্তরপ্রদেশের বিজনৌরের বাসিন্দা এক যুবতীর দেহ পাওয়া যায় তাঁর বাড়ি থেকে। ২৮ এপ্রিলের ঘটনা। ২৯ তারিখ ছিল তাঁর বিবাহবার্ষিকী।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১৭:৪০
UP Death Case

বিবাহবার্ষিকীর আগের দিন পাওয়া যায় বধূর দেহ। ছবি: সংগৃহীত।

স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখের সংসার। বিবাহবার্ষিকী অনুষ্ঠান বড় করে পালনের কথা ভেবেছিলেন সকলে। ঠিক তার আগের দিন গৃহকর্ত্রীর মৃত্যু! কেন নিজেকে শেষ করে দিলেন বধূ, কারণ খুঁজে পাচ্ছিলেন না কেউ। শেষকৃত্যের পর তাঁর সুইসাইড নোট পেলেন স্বামী।

Advertisement

উত্তরপ্রদেশের বিজনৌরের বাসিন্দা এক যুবতীর দেহ পাওয়া যায় তাঁর বাড়ি থেকে। ২৮ এপ্রিলের ঘটনা। ২৯ তারিখ ছিল তাঁর বিবাহবার্ষিকী। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান আত্মহত্যা করেছেন বধূ। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। তার পর শেষকৃত্যও হয়ে গিয়েছে। বাড়ি তন্নতন্ন করে একটি চিঠি পেয়েছেন মৃতার স্বামী। মনে করা হচ্ছে, সেটিই বধূর সুইসাইড নোট।

চিঠি পড়ে পুলিশের সন্দেহ, অনলাইনে ক্রমাগত হয়রানি করা হচ্ছিল বধূকে। সেই কারণেই বিবাহবার্ষিকীর ঠিক একদিন আগে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর মোবাইল পরীক্ষা করে দু’-তিনটি সন্দেহজনক কল পাওয়া যায়। এই সন্দেহজনক নম্বরগুলোতে কল ব্যাক করলে একটি ছাড়া আর কোনওটিতেই সাড়া পাওয়া যায়নি। একটি নম্বর থেকে ভিডিয়ো কল এসেছিল। তাতে পরিবারটিকে হুমকি দেওয়া বলে অভিযোগ।

আত্মহত্যার কারণ হিসাবে ডিজিটাল অ্যারেস্টের ‘শিকার’ হওয়ার কথা উল্লেখ করে সন্তানের উদ্দেশে বধূ লিখে গিয়েছেন, ‘‘ওই লোকটি তোমার মাকে সত্যিই খুব যন্ত্রণা দিত।’’ তবে ‘ওই লোকটি’ কে, তাঁর নাম উল্লেখ করেননি তিনি। বধূ আরও লিখেছেন, ‘‘আশা করি প্রতি জন্মে তোমাদের নিয়ে একটি পরিবার পাব।’’ স্বামীর উদ্দেশে লিখেছেন, ‘‘আমার সন্তানদের খেয়াল রেখো। দুঃখিত, ওদের মাকে মরতেই হবে।’’

বিজনৌরের পুলিশ সুপার অভিষেক ঝা বলেন, ‘‘মহিলার মৃত্যুর দু’দিন পর অর্থাৎ, ৩০ এপ্রিল পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্ত শুরু হয়েছে এবং একটি সন্দেহজনক নম্বর পাওয়া গিয়েছে। সেটি থেকে ভিডিয়ো কল এসেছিল। আমরা সেই তথ্য ধরেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন